Governor RN Ravi

শপথের পরই সক্রিয় রাজ্যপাল আরএন রবি, লোকভবনের শূন্যপদ পূরণে নবান্নকে চিঠি

রাজ্যপালের সচিব পদে এক জন আইএএস আধিকারিক চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ সচিব পদে এক জন প্রোমোটি আইএএস, দু’জন যুগ্মসচিব এবং একটি ডেপুটি সচিব পদের জন্য তিন জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারের নাম চাওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ১২:৫০
Share:

রাজ্যপাল আরএন রবি। —ফাইল চিত্র।

বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে উদ্যোগী হলেন আরএন রবি। রাজভবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে নবান্নকে ইমেল পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা পড়ে থাকা এই পদগুলি দ্রুত পূরণ করার দিকেই জোর দিচ্ছে রাজভবন।

Advertisement

লোকভবন সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সচিব পদে এক জন আইএএস আধিকারিক চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ সচিব পদে এক জন প্রোমোটি আইএএস, দু’জন যুগ্মসচিব এবং একটি ডেপুটি সচিব পদের জন্য তিন জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারের নাম চাওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে থেকে এক জনকে বেছে নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য এই উদ্যোগ। নবান্নের তরফে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। মঙ্গলবার লোকভবনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘শুক্রবার লোকভবন থেকে বার্তা পাঠানো হয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। আমরা আশা করছি, চলতি সপ্তাহেই নবান্নের তরফে আধিকারিকদের নাম আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’’

উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত কয়েক বছর ধরে রাজভবনের প্রশাসনিক কাঠামোয় এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে তাঁর প্রধান সচিব পদ থেকে সরিয়ে দেন। সেই সিদ্ধান্ত ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয় প্রশাসনিক মহলে। এর পর দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যপালের সচিব পদটি ফাঁকাই পড়ে থাকে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, প্রাক্তন রাজ্যপাল বোস এই পদে নতুন কাউকে নিয়োগে আগ্রহী ছিলেন না। ফলে প্রায় তিন বছর ধরে সচিববিহীন অবস্থাতেই লোকভবনের কাজকর্ম চলেছে, যা প্রশাসনিক কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

Advertisement

এই প্রেক্ষাপটে নতুন রাজ্যপালের উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনের একাংশের মতে, শূন্যপদগুলি পূরণ হলে রাজভবনের কাজের গতি বাড়বে এবং নবান্নের সঙ্গে সমন্বয়ও আরও মজবুত হবে। নবান্ন কত দ্রুত এই পদগুলিতে আধিকারিক নিয়োগ করে এবং রাজভবনের প্রশাসনিক কাঠামোয় স্থিতি ফিরিয়ে আনে, তা অবশ্য সময়ই বলবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement