Bangaon: বনগাঁয় পার্কিং লটে আগুন ট্রাকে

দমকলের ৬টি ইঞ্জিন সারা রাত ধরে চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে রবিবার দুপুর পর্যন্ত পোড়া তুলো থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গিয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২১ ০৯:৪৩
Share:

দাউ দাউ করে জ্বলছে পণ্যবাহী ট্রাক। ছবি: নির্মাল্য প্রামাণিক।

আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল ন’টি পণ্য বোঝাই ট্রাক। শনিবার রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তের কাছে নরহরিপুর এলাকায়। ট্রাকগুলি বনগাঁ পুরসভার ট্রাক পাকিং লটে রাখা ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তুলো বোঝাই ট্রাকগুলির বাংলাদেশের বেনাপোলে যাওয়ার কথা ছিল।

Advertisement

দমকলের ৬টি ইঞ্জিন সারা রাত ধরে চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে রবিবার দুপুর পর্যন্ত পোড়া তুলো থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গিয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা। স্থানীয় গ্রামবাসী ও অন্য ট্রাক চালকদের সহযোগিতায় বেশ কিছু ট্রাক পার্কিং এলাকা থেকে দ্রুত বের করে আনায় আরও ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি। পুলিশ ও দমকল ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত পৌনে ১১টা নাগাদ এলাকার লোকজন দেখেন, পার্কিং লটে থাকা ট্রাক থেকে আগুন বেরোচ্ছে। কিছু ক্ষণের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। পেট্রাপোল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। খবর দেওয়া বনগাঁ দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও প্রথমে পার্কিংয়ের মধ্যে ঢুকতে পারেনি। কারণ পার্কিং এলাকা ট্রাকে ভর্তি ছিল। দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকগুলিতে চালক, খালাসিরা ছিলেন না। আগুন লেগে একের পর এক ট্রাকের টায়ার, তেলের ট্যাঙ্ক বিকট শব্দ করে ফাটতে থাকে। এলাকার মানুষ আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়েন। পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় থাকা অন্য ট্রাকের চালক, স্থানীয় ট্রাক চালক এবং বনগাঁ থেকে অন্য ট্রাক চালকদের দ্রুত ডেকে আনা হয়। তাঁরা ট্রাকের কাচ ভেঙে, ব্যাটারি এনে পার্কিং থেকে ট্রাকগুলো দ্রুত বের করে নিয়ে আসেন।

Advertisement

পরে বনগাঁ, গোবরডাঙা, হাবড়া, চাকদহ, রানাঘাট থেকে দমকলের আরও ৫টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন লাগার ফলে বনগাঁ থেকে পেট্রাপোল বন্দরে যাতায়াত করা ট্রাকের সারি যশোর রোডে দাঁড়িয়ে পড়ে। কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে রাস্তা।

এই ঘটনায় পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় স্থায়ী একটি দমকল কেন্দ্র তৈরির দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ী, ক্লিয়ারিং এজেন্ট এবং ট্রাক মালিকেরা। তাঁদের দাবি, পেট্রাপোল বন্দরে দমকল কেন্দ্র থাকলে এ দিন ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো যেত। এ ছাড়া পুরসভার পার্কিং এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো ও ট্রাকের সঙ্গে চালক-খালাসিদের থাকার দাবিও উঠেছে। পুরপ্রশাসক গোপাল শেঠ বলেন, “কী ভাবে পার্কিং লটে আগুন লাগল তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement