TMC

আসানসোলে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ ২০০ জন কর্মীর! গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসকদল

বীরভূমের পর এ বার পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে তৃণমূলের রক্তক্ষরণ ঘটাল কংগ্রেস। মাস আটেক আগে কংগ্রেস থেকে শাসকদলে যোগ দেওয়া নেতা আবার ফিরে গেলেন তাঁর পুরনো দলে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ নভেম্বর ২০২২ ১৮:০৬
Share:

বীরভূমের পর এ বার পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে তৃণমূলের রক্তক্ষরণ ঘটাল কংগ্রেস। মাস আটেক আগে কংগ্রেস থেকে শাসকদলে যোগ দেওয়া নেতা আবার ফিরে গেলেন তাঁর পুরনো দলে। সঙ্গে নিয়ে গেলেন ২০০ অনুগামীকেও। হাত শিবিরে যোগ দিয়ে সুকান্ত দাস নামে ওই নেতা জানান, যেমনটা ভেবে তিনি তৃণমূলে এসেছিলেন, তা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। শাসকদলের দুর্নীতির কারণেই তিনি দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই নেতা। তৃণমূল দলত্যাগীর রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে।

Advertisement

রবিবার কুলটি ব্লকের কংগ্রেস কার্যালয়ে গিয়ে হাত শিবিরে যোগ দেন সুকান্ত। তাঁর হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন দলের জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী এবং হরজিত সিংহ। সুকান্ত বলেন, ‘‘তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময় মনে হয়েছিল, দলটা বোধহয় সত্যিই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে। মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন করবে। কিন্তু দলে গিয়ে দেখলাম, খেয়োখেয়ি চলছে! বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। গরু, কয়লা পাচার মামলায় দলের নেতারা ধরা পড়ছেন!’’

কংগ্রেসের সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘কুলটি বরাবরই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু মাঝে অনেকেই ভুল বুঝে বা প্রলোভনে পড়ে অন্য দলে নাম লিখিয়েছেন। এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে তাঁরা ফিরে আসছেন।’’

Advertisement

শাসকদল অবশ্য একে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে না। তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পারিষদের সদস্য ইন্দ্রাণী মিশ্র বলেন, ‘‘যিনি দল ছেড়েছেন, তিনি তৃণমূলের কোনও পদাধিকারী ছিলেন না। এক বছর আগে তৃণমূলে এসেছিলেন কিছু প্রত্যাশা নিয়ে। তা পূরণ না হওয়ায় আবার পুরনো দলে ফিরে গেছেন। এক বছরের মধ্যেই দলত্যাগে তাঁর রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement