Liquor Shop Crowd

খুলল মদের দোকান, ভিড় সুরাপ্রেমীদের

সুরাপ্রেমীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, এত দিন তাঁরা জানতেন, নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে দোকান বন্ধ হয়। সেই হিসাবেই তাঁরা এগোচ্ছিলেন।

অর্পিতা মজুমদার

শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫৮
Share:

লাইন। শুক্রবার সগরভাঙা জ়োনাল সেন্টারের সামনে। ছবি: বিকাশ মশান।

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ৯৬ ঘণ্টা ধরে বন্ধ ছিল সব মদের দোকান। ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার থেকে ফের মদের দোকান খুলেছে। নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ১১টা নাগাদ দোকান খোলার কথা। কিন্তু দেখা গিয়েছে, তীব্র গরম উপেক্ষা করে তার অনেক আগে থেকেই সুরাপ্রেমীদের লাইন পড়েছে দুর্গাপুরের বিভিন্ন মদের দোকানে। একই দৃশ্য কাঁকসার পানাগড় বাজারেও।

সুরাপ্রেমীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, এত দিন তাঁরা জানতেন, নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে দোকান বন্ধ হয়। সেই হিসাবেই তাঁরা এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা ৯৬ ঘণ্টা আগে দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগাম মজুত করে রাখতে পারেননি। ফলে কার্যত টানা চার দিন ধরে ‘ড্রাই ডে’ পালন করতে হয়েছে তাঁদের। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন রয়েছে ২৯ এপ্রিল। তাঁরা জানান, ২৬ এপ্রিল থেকে ফের মদের দোকান বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই শুক্রবার দোকান খোলার অনেক আগে থেকে মদের দোকানের সামনে হাজির হয়েছেন।

সিটি সেন্টার, বেনাচিতি, ফুলঝোড়-সহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখা যায়, সব দোকানের সামনেই ক্রেতাদের ভিড়। দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গে কার্যত হামলে পড়তে দেখা যায় তাঁদের। দোকানের তরফে নিরাপত্তারক্ষীরা ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন। ক্রেতাদের লাইন করে দাঁড় করিয়ে দেন। বেনাচিতি বাজারের দোকানের সামনে পুলিশকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। ফুলঝোড়ের একটি দোকানের সামনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সুরাপ্রেমী বলেন, “গরমে ঠান্ডা বিয়ার পানের মজাই আলাদা! কিন্তু চার দিন ধরে সেই রসে বঞ্চিত ছিলাম। এ বার সাধ মিটল!” তিনি জানান, পরে এসে আরও কয়েক বোতল বিয়ার কিনে মজুত করে রাখবেন, যাতে দ্বিতীয় দফার ভোটের সময়ে এই পরিস্থিতিতে আর পড়তে না হয়। বেনাচিতিরই একটি দোকানে দেখা গিয়েছে, ভিড়ের জন্য শার্টার অর্ধেক বন্ধ রেখে নীচ দিয়ে বোতল দেওয়া হচ্ছে।

বেনাচিতির একটি দোকানের কর্মী জানান, দুপুর ৩টে পর্যন্ত টানা ভিড় ছিল। তার পরে ভিড় হালকা হয়। এর পরে আবার সন্ধ্যায় ভিড় বাড়ে। তিনি বলেন, “এত দিন ধরে দোকান বন্ধ থাকায় যে লোকসান হয়েছিল, এ দিন তার অনেকটাই পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন