ত্রাণ বিলিতে দুর্নীতির অভিযোগ পারদুপসায়

বৃষ্টি, জমা জলে বিপাকে পড়েছিল গোটা গ্রাম। অথচ সরকারি ত্রাণ পৌঁছয়নি সবার ঘরে। মহকুমাশাসক এবং কালনা ১-এর বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ করে এমনই অভিযোগ জানালেন নান্দাই পঞ্চায়েতের পারদুপসা গ্রামের বেশ কিছু বাসিন্দা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০১৫ ০১:৪৭
Share:

বৃষ্টি, জমা জলে বিপাকে পড়েছিল গোটা গ্রাম। অথচ সরকারি ত্রাণ পৌঁছয়নি সবার ঘরে। মহকুমাশাসক এবং কালনা ১-এর বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ করে এমনই অভিযোগ জানালেন নান্দাই পঞ্চায়েতের পারদুপসা গ্রামের বেশ কিছু বাসিন্দা। তাঁদের অভিযোগ, ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনও।

Advertisement

পারদুপসা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, জুলাই মাসের টানা বৃষ্টিতে নান্দাই পঞ্চায়েতের বেশির ভাগ গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়ে। ফলে কেউ ত্রাণ শিবিরে কেউ আবার উঁচু বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। সরকারি খাতায় ২১৪টি পরিবার দুর্গত বলে জানানো হয়। ওই তালিকা অনুযায়ী ৩০ জুলাই থেকে ৭ অগস্ট পর্যন্ত ১২০০ কেজি চাল, ২৭৫ কেজি মুগডাল, ৪৮৫ কেজি চিড়ে, ১১৬ কেজি গুড়, সাড়ে পনেরো কেজি গুঁড়ো দুধ এবং ১০২টি ত্রিপল তুলে নেওয়া হয়। গ্রামের বাসিন্দা হাকিম শেখ, জাহাঙ্গির মল্লিক, দিলীপ মল্লিকদের অভিযোগ, সরকারি ত্রাণ গ্রামে পৌঁছলেও তা সকলের মধ্যে বিলি করা হয়নি। একশোটি পরিবার সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী এবং বরাদ্দ নগদ তছরুপ হয়েছে দাবি করেও মহকুমাশাসক এবং বিডিওর কাছে তদন্ত চেয়েছেন তারা। অভিযোগ পত্রে কোন দিন গ্রামে কতখানি রান্না হয়েছিল তাও জানানো হয়েছে। এমনিতে, সরকারি ব্যবস্থায় মহকুমাশাসক প্রথমে ত্রাণ পাঠান বিডিও-র কার্যালয়ে। পরে সেখান থেকে চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ যায় পঞ্চায়েতে। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলি এলাকার সদস্য মারফত তা বিলি করেন। পারদুপসা গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যা সিরিন বানুর সঙ্গে এ দিন যোগাযোগ করা যায়নি। আর কালনার মহকুমাশাসক সব্যসাচী ঘোষ বলেন, ‘‘অভিযোগটি গুরুতর। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement