ওয়েবসাইটের উদ্বোধনে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
কলকাতার বুকে নতুন এক প্রয়াস। হারিয়ে যাওয়া আড্ডা থেকে ঠাকুমা-দিদিমার হেঁসেলখানার স্বাদ ফিরে এল বেঙ্গলঘরানা-র হাত ধরে। ফেসবুক টুইটার-এর প্রজন্মকে শিকড় চেনানোর রাস্তা করে দিতে চাইছে বেঙ্গলঘরানা।
‘‘বাঙালি নিজেদের ভুলতে বসেছে। বাংলার পোশাক থেকে গান, খাওয়া থেকে ছবি— সব কিছুকেই যদি এক ছাদের তলায় পাওয়া যায়, মন্দ কী?’’ বেঙ্গলঘরানা-র ওয়েবসাইট উদ্বোধনে এসে বললেন পরিচালক সন্দীপ রায়।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও সন্দীপ রায়।
পুরুলিয়ার ছো মুখোশ, মেদিনীপুরের পটুয়ার পটচিত্র বা হারিয়ে যাওয়া টুসু পুতুল, সবই এখন বেঙ্গলঘরানা-র সংগ্রহে। ‘‘পুরনো বাংলার গন্ধ আছে এই নতুন উদ্যোগে।’’ বলছিলেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। শুধু কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, ওপার বাংলার রং, বুনোট আর নকশার ছাপও আছে বেঙ্গলঘরানা-য়। পাবনার মাছপারের শাড়ি বা ধনেখালির আড়ি কাজে ছোঁয়া যাবে ওপারের ঝলক।
আরও পড়ুন- জামাইষষ্ঠীর দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা
মাত্র কিছু দিন হল মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ‘প্রাক্তন’। নানা ব্যস্ততার ফাঁকেই নস্ট্যালজিয়ায় ভেসে গেলেন তিনি, ‘‘দুই বাংলা মিলেমিশে একাকার, তাও আবার আজকের দুনিয়ার ডিজিট্যাল স্পেস, সঙ্গে পুরনো বাড়িতে হোম ডাইনিং, বিষয়টা সত্যিই অন্য রকম।’’
গরমের ছুটির মামারবাড়ি, দিদিমার আম বাটা, জুঁই ফুলের বর্ষা বা বসন্তের পলাশবরণ, সবই থাকছে বেঙ্গলঘরানা-র আঙিনায়। সঙ্গে মন ভাল আর মনকেমনের ব্লগ। অনলাইন বা ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যেতে পারে স্বাদ, গন্ধ আর বর্ণের বাঙালির শিকড়ের স্মৃতি।
আর কী?
আধুনিক মোড়কে বাঙালির উঠোন ভর্তি নস্ট্যালজিয়া!