টুকরো খবর

খাগড়াগড় কাণ্ডের প্রেক্ষিতে সমস্ত মাদ্রাসাকে কাঠগড়ায় তোলা বন্ধ করার আর্জি জানালেন জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ তথা এআইইউডিএফ নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পাশাপাশি, খাগড়াগড় কাণ্ড এবং শিমুলিয়ার অভিযুক্ত মাদ্রাসার কার্যকলাপ নিয়ে সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন তিনি।সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য, ইসলাম ধর্ম সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না। খাগড়াগড় কাণ্ডের পর মাদ্রাসাগুলিকে জঙ্গিপনা এবং দেশদ্রোহিতার সঙ্গে এক করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু মাদ্রাসায় লেখাপড়া হয়।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫৫
Share:

মাদ্রাসাকে দোষারোপ বন্ধ হোক: সিদ্দিকুল্লা

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

খাগড়াগড় কাণ্ডের প্রেক্ষিতে সমস্ত মাদ্রাসাকে কাঠগড়ায় তোলা বন্ধ করার আর্জি জানালেন জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ তথা এআইইউডিএফ নেতা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পাশাপাশি, খাগড়াগড় কাণ্ড এবং শিমুলিয়ার অভিযুক্ত মাদ্রাসার কার্যকলাপ নিয়ে সিবিআই তদন্তও দাবি করেছেন তিনি।সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য, ইসলাম ধর্ম সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না। খাগড়াগড় কাণ্ডের পর মাদ্রাসাগুলিকে জঙ্গিপনা এবং দেশদ্রোহিতার সঙ্গে এক করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু মাদ্রাসায় লেখাপড়া হয়। জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না। কিছু ব্যক্তির অপরাধের জন্য মুসলিম সম্প্রদায় বা তাদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসাকে অপরাধী বলে গণ্য করা ‘দুঃখজনক’। সিদ্দিকুল্লা বলেন, “অভিযুক্তদের শাস্তি চাই। শিমুলিয়ার মাদ্রাসায় কারা কী ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত, তা-ও জানতে চাই। কিন্তু মাদ্রাসা মানে জঙ্গি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এই ধারণা ঠিক নয়।” তাঁর দাবি, শিমুলিয়ার যে মাদ্রাসায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো বলে অভিযোগ, সেটি সম্পর্কে স্থানীয়রা কিছু জানতেন না। সিদ্দিকুল্লা বলেন, “আবুল কালাম বলে এক জনের বাড়িতে মাদ্রাসার নামে ওই জঙ্গি প্রতিষ্ঠান চলত। কালাম পলাতক।” খাগড়াগড় মাদ্রাসার সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ সম্পর্কে সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য, “প্রচার করা হচ্ছে, মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়ে পরিচালকরা নাকি পালিয়েছেন! সত্য হল, এখন ঈদের ছুটি চলছে। ছুটি শেষ হলেই পঠনপাঠন শুরু হবে।” সিদ্দিকুল্লা জানান, ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করার নির্দেশ হজরত মহম্মদ দেননি। মহম্মদের বাণী এবং রাজ্যের মাদ্রাসার তালিকা তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী এবং সব দলকে পাঠাবেন। তাঁর দাবি, শান্তি ও ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষায় শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের নিয়ে রাজ্য সরকারের আলোচনা করা উচিত।

Advertisement

বেতন মামলায় জরিমানা রাজ্যের

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

চেতলার শ্রী অরবিন্দ বিদ্যাপীঠের এক অশিক্ষক কর্মীকে পেনশন দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০১৩ সালের সেই নির্দেশ কার্যকর না করে এ বছরের গোড়ায় রাজ্য আপিল মামলা করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। সম্প্রতি বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি তাপস মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। ডিভিশন বেঞ্চের যুক্তি, সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই রাজ্য দেরিতে আপিল মামলা করেছে। কল্যাণ গঙ্গোপাধ্যায় নামে ওই অশিক্ষক কর্মীর আইনজীবী এক্রামুল বারি জানান, ১৯৮৩ সালে তাঁর মক্কেল চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৯৯ সালে চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন কল্যাণবাবু। স্কুল পরিচালন কমিটির বৈঠকে কল্যাণবাবুর আবেদনকে চাকরি থেকে ‘ইস্তফা’ ধরে নিয়ে প্রস্তাব পাস করানো হলেও তাঁকে ২০০৩-র ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চাকরি চালিয়ে যেতে বলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এই বিষয়ে স্কুলের পক্ষ থেকে কল্যাণবাবুকে লিখিত চিঠি দেওয়া হয়নি বলেই ওই আইনজীবীর দাবি। তিনি জানান, তাঁর মক্কেল ২০১০-এ স্কুল শিক্ষা অধিকর্তার কাছে পেনশনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু অধিকর্তার দফতর থেকে জানানো হয়, কল্যাণবাবুর চাকরির মেয়াদ ২০ বছরের কম, তাই তিনি পেনশন পাবেন না। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কল্যাণবাবু। শুনানি শেষে বিচারপতি অশোক দাস অধিকারী গত বছর অক্টোবরে নির্দেশ দেন, ওই অশিক্ষক কর্মীকে অবিলম্বে পেনশন দিতে হবে।

সদ্ভাবনা যাত্রা

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

শনিবার লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণের ১১৩তম জন্মদিবস পালন করে জয়প্রকাশ জন্মজয়ন্তী কমিটি। পার্ক সার্কাস মোড়ে জয়প্রকাশের মূর্তিতে মাল্যদান-সহ সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী মঞ্চের জাতীয় আহ্বায়ক সমীর ভট্টাচার্য জানান, মঞ্চের পক্ষ থেকে ২১ অক্টোবর পার্ক সার্কাস থেকে পটনা পর্যন্ত ‘সদ্ভাবনা যাত্রা’ করা হবে। পটনা থেকে জয়প্রকাশের গ্রামে গিয়ে যাত্রা শেষ হবে। যাত্রার লক্ষ্য সমাজবাদীদের এক মঞ্চে সামিল করা।

পাসপোর্ট-জট কাটাতে বিশেষ আদালত

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

পাসপোর্ট সমস্যা মেটাতে বিশেষ আদালতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাসপোর্ট অফিস সূত্রের খবর, নথির জটিলতায় ২০১৩-র ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহু পাসপোর্টের আর্জি আটকে গিয়েছিল। সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ১৮ অক্টোবর বেব্রোর্ন রোডে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সদর দফতরে বিশেষ আদালতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসার গীতিকা শ্রীবাস্তব বলেন, “প্রায় ৫০০০ পাসপোর্টের আর্জি আটকে থাকায় এই ব্যবস্থা।” জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহারের বাসিন্দাদের জন্য এই বিশেষ পাসপোর্ট শিবির। পাসপোর্ট অফিস সূত্রের খবর, ১৮ ও ১৯ অক্টোবর শিলিগুড়িতে ওই শিবির হবে। প্রতিদিন ১৫০ জন করে ৩০০ জনের পাসপোর্টের আর্জি সেখানে নেওয়া হবে। এর জন্য পাসপোর্ট অফিসের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাক্ষাতের সময় চাইতে হবে। পাসপোর্ট অফিস জানায়, ১৫ অক্টোবর সকাল থেকে তাদের সাইটে এই সাক্ষাৎকারের জন্য সময় দেওয়া শুরু হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement