SIR Work in West Bengal

সোমবার আবার এসআইআর! থমকে থাকা স্ক্রুটিনির কাজ শুরু করবেন বিচারকেরা, ভার্চুয়াল বৈঠকে বোঝানো হল দায়িত্ব

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাই এবং তা নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের। কলকাতা হাই কোর্টই ঠিক করে দিয়েছে কারা এই দায়িত্ব পালন করবেন। বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৫১
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

সোমবার থেকে শুরু হবে থমকে থাকা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজ। এ বার ভোটারদের নথি যাচাই করবেন কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত বিচারকেরা। তার আগে রবিবার ভার্চুয়াল বৈঠক হল। কী কী কাজ করতে হবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো কোন কোন নথি যাচাই করতে হবে— দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের এই সব নানা কিছু বুঝিয়ে দেওয়া হয় সেই বৈঠকে।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাই এবং তা নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের। কলকাতা হাই কোর্টই ঠিক করে দিয়েছে কারা এই দায়িত্ব পালন করবেন। বিধানসভা-ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে বিচারকদের। সোমবার থেকে তাঁরাই এসআইআরের নথি যাচাইয়ের কাজ করবেন। ভোটার তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ যাবে, কাদের নাম থাকবে— সেই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যাবতীয় নথি ‘বিচার’ করে দেখবেন বিচারকেরা।

সূত্রের খবর, রবিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে বিচারকদের বলে দেওয়া হয় কী কী নথি গ্রহণযোগ্য। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে যে যে নথির কথা বলা হয়েছে, তার তালিকাও দেওয়া হয়। এ ছাড়াও, এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কী নির্দেশ রয়েছে, তা-ও বিচারকদের জানানো হয়। রবিবারের বৈঠকটি হয় কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালে নেতৃত্বে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজিপি পীযূষ পান্ডে, কমিশনের আধিকারিকেরা।

Advertisement

এসআইআরের কাজ কী ভাবে করবেন বিচারকেরা? কমিশন সূত্রে খবর, কোন কোন বিচারক এসআইআরের কাজ করবেন, সেই তালিকা পাওয়ার পরই তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট লগ ইন আইডি তৈরি করা হবে। সেই আইডি দিয়েই কমিশনের পোর্টালে গিয়ে নথি যাচাই করবেন বিচারকেরা। পোর্টালে সংশ্লিষ্ট বিচারককে জানাতে হবে, তিনি কোন বিধানসভার এসআইআরের কাজ করছেন। তা দেওয়ার পরেই বুথ-ভিত্তিক পার্ট নম্বরের উল্লেখ থাকবে। সেই তথ্য দেওয়ার পরই সিরিয়াল নম্বর-সহ ভোটার তালিকা দেখতে পাবেন বিচারকেরা। প্রত্যেক ভোটারের পাশে দু’টি অপশন থাকবে। এক জায়গায় ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম এবং তিনি কী কী নথি দিয়েছেন তা থাকবে। আর অন্য অপশনে থাকবে ইআরও, এইআরও, মাইক্রো অবজ়ার্ভার, বিএলও-র পরিচয়। একই সঙ্গে স্ক্রুটিনিতে কী বলা হয়েছে, তা-ও উল্লেখ থাকবে। তার পরেই নথি যাচাই করবেন বিচারক। নথি যাচাইয়ের পর ‘বাতিল’ না কি ‘গৃহীত’, তা সিদ্ধান্ত নেবেন তাঁরা। বিচারকদের পর্যবেক্ষণও লিখতে হবে।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার কথা কমিশনের। বাকি মাত্র কয়েকটা দিন। সেই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে শনিবারের বৈঠকে উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি। ইতিমধ্যেই আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল করেছে হাই কোর্ট।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement