—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যের স্কুলগুলিতে ২০১৬ সালের আগে নিযুক্ত মাধ্যমিক স্তর বা নরমাল সেকশন গোত্রের শিক্ষকদের পদমর্যাদা পরিবর্তন করে মাধ্যমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক গোত্রে ভাগ করা যাবে না বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। ২০ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি। এ ব্যাপারে রাজ্যের থেকে রিপোর্টও তলব করেছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। বুধবারই এই শিক্ষকদের ‘নরমাল সেকশন’-এ দেখানোর জন্য নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা দফতর। হাই কোর্টের নির্দেশ এবং রাজ্যের নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ইউডিআইএসই পোর্টালে, রাজ্যের বেতন সংক্রান্ত (আইওএসএমএস) পোর্টালে এবং উৎসশ্রী পোর্টালে নরমাল সেকশন শিক্ষকদের জন্য কোনও বিকল্প না থাকায় হাই কোর্টে মামলা করেছিল রানাঘাট ওবিআর বৃহত্তর স্নাতক শিক্ষক সংগঠন।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের আগে রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে শিক্ষকদের প্রাথমিক, নরমাল সেকশন এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নিয়োগ করা হত। ২০১৬ সালের নতুন শিক্ষক নিয়োগ আইন অনুযায়ী পূর্বের বিভাজনে পরিবর্তন করে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ভাগ করে শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়।
মামলাকারী সংগঠনের আইনজীবী বিক্রম বন্দোপাধ্যায়ের দাবি, এর আগে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যেরাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে ২০১৬ সালের আগে নরমাল সেকশন বিভাগে নিযুক্ত শিক্ষকদের পদমর্যাদা পরিবর্তন করা যাবে না এবং উচ্চ-প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভাগ করা যাবে না। অভিযোগ, কোর্টের নির্দেশ ও এবং রাজ্যের এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও বেতন, একত্রিতজেলাভিত্তিক তথ্য ভাণ্ডার এবং উৎসশ্রী পোর্টালে নরমাল সেকশনের বিকল্প চালু হয়নি। তার ফলে উচ্চ-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক হিসেবে দেখানো হচ্ছে। শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে ২০১০ সালের পরে যে প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিক শিক্ষকেরা টেট পাশ না-করে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের ফের টেট দিতে হবে। নরমাল সেকশনের শিক্ষকদের উচ্চ-প্রাথমিক গোত্রে ফেললে তাঁদেরও টেট দিতে হত। এ ক্ষেত্রে সেই আশঙ্কা দূর হল বলেই তাঁদের আশা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে