TMC Bank Account Controversy

কোন তৃণমূলের দখলে থাকবে দলীয় তহবিল? দ্রুত শুনানি চায় কালীঘাট! পুলিশ ও ব্যাঙ্ককে নোটিস দিতে বলল হাই কোর্ট

তৃণমূলের এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে পুলিশ এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে। রাজ্য সরকারও মামলায় যুক্ত রয়েছে। তৃণমূলের দ্রুত শুনানির আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভট্টাচার্য জানান, সব পক্ষকে নোটিস দিতে হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১১:৫০
Share:

তৃণমূলের তহবিল নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তৃণমূলের তহবিলে কার অধিকার থাকবে, তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল শিবির। তাদের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানির আর্জি জানিয়েছে তৃণমূল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শুনানি হতে পারে। মামলার সঙ্গে যুক্ত অপর পক্ষকে নোটিস দিতে বলেছে আদালত।

Advertisement

তৃণমূলের এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে পুলিশ এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে। রাজ্য সরকারও মামলায় যুক্ত রয়েছে। তৃণমূলের দ্রুত শুনানির আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভট্টাচার্য জানান, সব পক্ষকে নোটিস দিতে হবে। তৃণমূলের আইনজীবী সোমবার দুপুর ২টোয় জরুরি ভিত্তিতে এই মামলার শুনানির আবেদন জানিয়েছেন। তবে আদালত জানায়, সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার পর সোমবার অথবা মঙ্গলবার শুনানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন দেখা গিয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক দল বিধায়ক পৃথক শিবির তৈরি করেছেন এবং নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করেছেন। এই শিবিরে তৃণমূলের চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়। দলের অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনের কথা উল্লেখ করে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার আবেদন জানিয়েছিলেন প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে ওই অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ রাখতে বলেছিলেন তিনি। পরে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার আবেদন জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয় ঋতব্রতের শিবির। পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করে। তিনটি অ্যাকাউন্টে জমা থাকা তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা আপাতত তোলা যাবে না বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। লেনদেনের নথিও তলব করা হয়। এর পরেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট শিবির।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, এআইটিসির অ্যাকাউন্টে ২৬০ কোটি টাকা রয়েছে। ত্রিপুরা এবং গোয়ার অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১৮০ কোটি টাকা। ভোটে পরাজয়ের পর অরূপকে কোষাধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ব্যাঙ্ককে দেওয়া চিঠিতে নিজেকে কোষাধ্যক্ষ বলেই উল্লেখ করেন অরূপ। দাবি, তিনি পদে থাকাকালীন অনেক চেকে সই করে রেখেছিলেন। সেগুলি কোথায় কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তার হিসাব তিনি পাননি। এ বার সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জটিলতার জল গড়াল হাই কোর্ট পর্যন্ত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement