SIR in West Bengal

হোয়াট্‌সঅ্যাপে নির্দেশ তো নবান্নও দেয়! কাজের সুবিধার্থে এতে কোনও ভুল নেই, মমতাকে জবাব কমিশনের

বুধবারই এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেও কমিশনের হোয়াট্‌সঅ্যাপে নির্দেশ দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ছুড়ে দিয়েছেন কটাক্ষ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৫
Share:

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে কর্মীদের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াট্‌সঅ্যাপ কমিশন’ বলে আক্রমণও করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই মন্তব্যের জবাব দিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর। তারা জানিয়ে দিল, হোয়াট্‌অ্যাপে নির্দেশ দেওয়ায় আদৌ কোনও ভুল নেই। কাজের সুবিধার্থেই হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহার করা হয়। এমনকি, নবান্নের প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে।

Advertisement

বুধবারই এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেও কমিশনের হোয়াট্‌সঅ্যাপে নির্দেশ দেওয়া নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘‘ওটা তো হোয়াট্‌সঅ্যাপ কমিশন। তথ্য যাচাই নয়, ওদের উদ্দেশ্য শুধু নাম কাটা।’’ এর প্রেক্ষিতে সিইও দফতরের এক আধিকারিক বলেছেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশগুলি লিখিত ভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়েই জানানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। এখন তথ্য ও বার্তা দ্রুত পাঠানোর মাধ্যম হোয়াট্‌সঅ্যাপ। কাজের সুবিধার্থে জেলা আধিকারিকদের হোয়াট্‌অ্যাপে নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে কোনও অনিয়ম নেই।’’ কোনও জেলা আধিকারিক এই হোয়াট্‌অ্যাপ বার্তায় আপত্তি জানাননি বলেও দাবি করেছেন সিইও দফতরের ওই আধিকারিক।

সিইও দফতর সূত্রে খবর, সকল জেলাশাসককেই তাৎক্ষণিক নির্দেশের ক্ষেত্রে হোয়াট্‌অ্যাপ ব্যবহারের কথা বলা রয়েছে। সেই নির্দেশ নিয়ে কারও কোনও আপত্তি থাকলে তা লিখিত ভাবে জানানো যাবে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, আগে নির্দেশ পালন করতে হবে। তার পর লিখিত নির্দেশ চাইতে পারেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিক।

Advertisement

এসআইআর-এর কাজে প্রতিদিনই হোয়াট্‌অ্যাপ ব্যবহার করে কমিশন। জেলাশাসকেরাও তা-ই করেন। সিইও দফতরের আধিকারিক জানিয়েছেন, বুধবারও উত্তরবঙ্গের এক জেলাশাসক হোয়াট্‌অ্যাপে শুনানি সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য কমিশনে পাঠানোও হয়েছে। নবান্নের প্রসঙ্গ তুলে ওই আধিকারিক বলেন, ‘‘নবান্নও তো অনেক নির্দেশ হোয়াট্‌অ্যাপে দেয়। এতে ভুল কী আছে? নবান্নের সেই সমস্ত নির্দেশ কি ভুল?’’ যাঁদের হোয়াট্‌অ্যাপে ওই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা কেন বিরোধিতা করছেন না, প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement