CM Suvendu Adhikari Road Show

ভবানীপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিজয় শোভাযাত্রা শুভেন্দুর! নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পুষ্পবৃষ্টি জনতার

বুধবার বিকেলে চেতলা লক গেট এলাকা থেকে শুরু হয় শুভেন্দুর বিজয় শোভাযাত্রা। শেষ হয় হাজরা মোড়ে। ভবানীপুরের ৭৩, ৭৪ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ২১:৫৩
Share:

বুধবার সন্ধ্যায় ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রোড শো। ছবি: পিটিআই।

ভবানীপুর জয়ের পরে এ বার সেখানকার ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে রোড শো করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে সুসজ্জিত গাড়িতে করে রোড শো করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য রাস্তার দু’ধারে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভবানীপুরের রাস্তায় পুষ্পবৃষ্টিতে তাঁকে স্বাগত জানান সাধারণ জনতা।

Advertisement

বুধবার বিকেলে চেতলা লক গেট এলাকা থেকে শুরু হয় শুভেন্দুর বিজয় শোভাযাত্রা। শেষ হয় হাজরা মোড়ে। ভবানীপুরের ৭৩, ৭৪ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করেন তিনি। এ বারের নির্বাচনে শুরুর থেকেই গোটা রাজ্যের নজর ছিল ভবানীপুরে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিলেন শুভেন্দু। জয়ের বিষয়ে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। শেষে ১৫,১০৫ ভোটে মমতাকে পরাস্ত করে শেষ হাসি হাসেন শুভেন্দুই।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলনেত্রী মমতাকে পরাস্ত করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হন শুভেন্দু। এ বারের ভবানীপুরের লড়াই ছিল তারই দ্বিতীয় অধ্যায়। মমতাকে আবার পরাস্ত করেন তিনি। নন্দীগ্রামে যে ব্যবধানে জিতেছিলেন, এ বারের নির্বাচনে জেতেন আরও অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে।

Advertisement

বিজেপি সূত্রে খবর, ভবানীপুরে জয়ের পরই এই রোড শো করার কথা স্থির করে ফেলেছিলেন শুভেন্দু। জানা যাচ্ছে, তিনি স্থির করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরে ভবানীপুরে একটি ধন্যবাদযাত্রা করবেন। গত শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শুভেন্দুর শপথ সমারোহ আয়োজিত হয়। তার পরে বুধবার ভবানীপুরের রাস্তায় রোড শো করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

এর আগে বুধবার সকালে বিধানসভায় গিয়েছিলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ আগেই হয়ে গিয়েছিল। বুধবার প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তাঁকে বিধায়ক পদে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রথামাফিক মুখ্যমন্ত্রীকে বিধানসভা চত্বরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। বিআর অম্বেডকরের মূর্তিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু। তার পর বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ঘরে যান তিনি। সেখানে পুজো দেন। শুভেন্দুর পর শপথ নেন রাজ্য মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যেরা। তার পর অন্য বিধায়কদের শপথগ্রহণ শুরু হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement