Saline Controversy

ওষুধ সংস্থার ডিরেক্টরকে জেরা

মাস খানেক আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ওই সংস্থার স্যালাইন ব্যবহার এবং এক প্রসূতির মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে ছিল গোটা রাজ্য। অভিযোগ ওঠে ওই স্যালাইন ব্যবহারের ফলেই মৃত্যু হয়েছে প্রসূতির।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ০৭:০০
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের স্যালাইন কাণ্ডে এ বার পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের এক ডিরেক্টরকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। সূত্রের খবর, স্যালাইন সংস্থার অন্যতম ওই ডিরেক্টর মুকুল ঘোষকে সোমবার ভবানীভবনে প্রায় আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। সিআইডি জানিয়েছে, ওই ডিরেক্টরের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁকে ফের ডাকা হতে পারে। যদিও প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় স্যালাইন প্রস্তুতকারী ওই সংস্থাকে আদালতে রিপোর্ট জমা দিয়ে ক্লিনচিট দিয়েছিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে ওই রিপোর্ট পেশ করে রাজ্য দাবি করেছিল, ওই মেডিক্যালে ব্যবহৃত রিঙ্গার্স ল্যাকটেটে সমস্যা ছিল না।

মাস খানেক আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ওই সংস্থার স্যালাইন ব্যবহার এবং এক প্রসূতির মৃত্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে ছিল গোটা রাজ্য। অভিযোগ ওঠে ওই স্যালাইন ব্যবহারের ফলেই মৃত্যু হয়েছে প্রসূতির। একই সঙ্গে অভিযোগ ওঠে সিনিয়র চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সময় উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগ ওঠে, তার জেরে জুনিয়র চিকিৎসকেরা ওই প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার করেন। তাঁদের গাফিলতিতেই মৃত্যু হয়েছে প্রসূতির। পরে রাজ্য সরকার নিজেরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৩ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে। যার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারীরা স্যালাইন সংস্থার ডিরেক্টরকে জেরা করার আগে ওই হাসপাতালের ১৩ জন জুনিয়র এবং সিনিয়র চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন