CITU

শহরে রেলমন্ত্রী, হকার-প্রশ্নে ক্ষোভ সিটুর, চিঠি কৌস্তভেরও

রেলমন্ত্রী এ দিন বিমানবন্দরে নামার সময়েই ভি আই পি রোডে, কৈখালিতে সিটুর নেতৃত্বে হকারদের একাংশ জড়ো হয়েছিলেন। ‘বুলডোজ়ার রাজে’র অভিযোগ তুলে তাঁরা সরব হয়েছেন। তবে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়নি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ০৯:৩৬
Share:

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের যাত্রাপথে সিটুর বিক্ষোভ। পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে। — নিজস্ব চিত্র।

রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন স্টেশনে ‘অবৈধ’ অভিযোগে হকার উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে রেল। এই আবহে শনিবার শহরে এসে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব যখন পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিভিন্ন রেল প্রকল্পের কথা বললেন, তখন উল্টো দিকে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হল সিপিএম-সহ বিভিন্ন বাম দলের শ্রমিক সংগঠন। রেলমন্ত্রী শহরে আসার মুহূর্তে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন সিটু বিক্ষোভ দেখিয়েছে। পাশাপাশি, হকার-প্রশ্নে পুনর্বাসন নীতি প্রণয়ন এবং তাঁর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে রেলমন্ত্রীকে লিখিত আর্জি জানিয়েছেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

রেলমন্ত্রী এ দিন বিমানবন্দরে নামার সময়েই ভি আই পি রোডে, কৈখালিতে সিটুর নেতৃত্বে হকারদের একাংশ জড়ো হয়েছিলেন। ‘বুলডোজ়ার রাজে’র অভিযোগ তুলে তাঁরা সরব হয়েছেন। তবে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়নি। জমায়েতে থাকা সিটু নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “রাতের অন্ধকারে দমদম, উত্তরপাড়ায় বুলডজ়ার দিয়ে হকার উচ্ছেদ হয়েছে। আজকে রেলমন্ত্রী পালিয়ে গেলেন। হকারেরা তাঁর পথ আটকাতেন না, শুধু দাবিপত্র তুলে দিতেন।” নুঙ্গী স্টেশনে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে ও পুনর্বাসনের দাবিতে সিটু বিক্ষোভ দেখিয়েছে। হয়েছে মিছিলও। একই বিষয়ে লেক গার্ডেন্স, বাঘাযতীন, বিধাননগর-সহ বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে ধারাবাহিক ভাবে আন্দোলন করছে সিটু-সহ বিভিন্ন বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন। সিটু নেতৃত্বের দাবি, বিধাননগরে প্রাথমিক ভাবে উচ্ছেদ অভিযান রুখে দেওয়া গেলেও, হকারেরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

এ দিকে, ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ রেলমন্ত্রীকে লিখিত আবেদনে বলেছেন, ‘স্টেশন চত্বর থেকে হকার উচ্ছেদের বিষয়টি সহানুভূতি ও মানবিকতার সঙ্গে বিবেচনা এবং হকারদের জন্য পুনর্বাসন নীতি প্রণয়ন করা জরুরি।’ এর সঙ্গেই ব্যারাকপুর স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজের কাজ দ্রুত শেষ করা, টিটাগড় স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজ পুনর্নির্মাণ, ব্যারাকপুরে মা তারা, ভাগীরথী, তিস্তা-তোর্সা, গৌড় এক্সপ্রেস-সহ বেশ কয়েকটি ট্রেন স্টপ দেওয়া-সহ মোট ১৫ দফা দাবি তুলেছেন কৌস্তভ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছেন, “কেউ ব্যক্তিগত জায়গা, সরকারের জায়গা, ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করবেন, এটা তো হতে পারে না। কোনও সভ্য শহরে এটা হয় না। কিন্তু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কারও পেটে লাথি মারা হবে না। আমাদের লক্ষ্য, দখল মুক্ত করে উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যায়ন। সেই সঙ্গে গরিব মানুষের রুটি-রুজির মধ্যে সমতা বিধান করা।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন