Transfer

জেলাশাসক বদলি নিয়ে চর্চা প্রশাসনের অন্দরেই

আন্তর্জাতিক আদিবাসী সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দিতে গত শনিবার শিলিগুড়িতে এসে সম্মেলনের আয়োজনে অব্যবস্থার অভিযোগে এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ০৮:২১
Share:

দার্জিলিঙের সদ্যপ্রাক্তন জেলাশাসক মণীশ মিশ্র। — ফাইল চিত্র।

কেন্দ্রকে বার্তা দিতেই কি দার্জিলিং জেলাশাসকের বদলি—আধিকারিক মহলে এই চর্চাই এখন দানা বাঁধছে। এই প্রশ্নও উঠছে, কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট অফিসারদের ডেপুটেশনে ডেকে নিয়েছে নির্দিষ্ট কারণে। তা ঠেকাতে সঙ্গে সঙ্গে বদলি করে কেন্দ্রকেপাল্টা বার্তা দিতে চেয়েছে নবান্ন।কিন্তু তাতে কেন্দ্রের তোলাগাফিলতির অভিযোগই প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না কি?

আন্তর্জাতিক আদিবাসী সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দিতে গত শনিবার শিলিগুড়িতে এসে সম্মেলনের আয়োজনে অব্যবস্থার অভিযোগে এবং রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাজ‍্য সেই অভিযোগ খারিজ করলেও, উপ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিন্দায় মুখর হয়েছিলেন। ঘটনাচক্রে, তার পরেই দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মনীশ মিশ্র এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরকে ডেপুটেশনে চেয়ে নবান্নকে বার্তা পাঠায় কেন্দ্র। তার পরেই দার্জিলিং জেলাশাসক পদে রদবদল করে রাজ্য।

অভিজ্ঞ আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, রাজ‍্যকে কেন্দ্রের কথা মানতে হলে ডেপুটেশনে ছেড়ে দিতে হয় তুলনায় খুব জুনিয়র অফিসার মনীশকে। যিনি এই প্রথম জেলাশাসকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কেন্দ্র শৃঙ্খলাভঙ্গের বিভাগীয় তদন্ত করলে তা মনীশের কর্মজীবনের এমন সময়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তাই কেন্দ্রের বার্তায় সাড়া না দিয়ে বরং তাঁকে বদলি করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতরের বিশেষ সচিব পদে। কিন্তু এমন ডেপুটেশনে চাওয়ার নেপথ্যে অভিযোগ ছিল,রাষ্ট্রপতির জন্য যথাযোগ্য ব্যবস্থাকরা হয়নি। ‘প্রোটেকল’ যথাযথ ছিল না। যার মোদ্দা বক্তব্য—জেলা প্রশাসনের কাজ উপযুক্ত ছিল না। যদিও তাতে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজমাধ্যমে তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট সভা এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য যথাযোগ্য জায়গায় জানিয়েছিলেন জেলা প্রশাসন তথা জেলাশাসক। ফলে জেলাশাসকের ভূমিকায় পেশাদারিত্বের অভাব দেখেনি রাজ্য। কিন্তু তাঁকে ডেপুটেশনে চাওয়া মাত্র জেলাশাসকের পদ থেকে বদলিতে কেন্দ্রের তোলা অভিযোগগুলি এক অর্থে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন