—ফাইল চিত্র।
রাজ্যে কোনও ‘হটস্পট’ নেই। যে এলাকায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই এলাকার বিশেষ ভাবে যত্ন নেওয়া হচ্ছে। সংবেদনশীল এলাকায় জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলবে। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই ম্যাপিং করা হচ্ছে। আর কিছু নয়। শনিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ দিন মমতা সাংবাদিকদের বলেন, “কোনও দোকান-বাজার বন্ধ থাকবে না। যে এলাকার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন, সেখানকার একটা ম্যাপিং করা হচ্ছে। এটাকে মাইক্রো প্ল্যানিং অব দ্য গভর্নমেন্ট বলুন।”
সপ্তাহে প্রায় প্রতি দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। এ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন তিনি। তার পর নবান্নে মমতা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনারা দয়া করে ঘরে থাকুন। নিয়ম মেনে চলুন।”
আরও পড়ুন: রাজ্যে কিছু জায়গায় লকডাউনের শর্ত মানা হচ্ছে না, নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের
তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, রাজ্যে কোনও হটস্পট আছে কি না? এ বিষয়ে তিনি বলেন, “এ রাজ্যে কোনও হটস্পট নেই। আমাদের রাজ্যটা চালাতে হয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর রিপোর্ট দেখেছিলাম। ওরা দেশে ৩৬টি জায়গা চিহ্নিত করেছে। আমি শুনেছিলাম এ রাজ্যেও ৬টি জায়গা আছে।” তাঁর কথায়: “যেখানেই আমরা দেখব সেনসেটিভ এলাকা, সেখানে জীবাণুমুক্ত করব। আর কিছু নয়। কোনও বাজার বন্ধ থাকবে না। লকডাউন আইনটা মানুন আপনারা। বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।” মমতা আরও বলেন, ‘‘এত চিন্তা কেন? হটস্পটের বিষয়ে কেন আপনারা চিন্তা করছেন? হট এবং কুল নিয়ে চিন্তা করুন। হটস্পট বলে কিছু নেই।”
আরও পড়ুন: রাজ্যের সব স্কুল-কলেজ ১০ জুন পর্যন্ত বন্ধ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাঁর সরকারকে কাজ করতে হচ্ছে বলে এ দিন মমতা দাবি করেন। তিনি বলেন, “কোনও এলাকায় এক জন যদি আক্রান্ত হন, তার থেকে আরও কয়েক জনের হয়ে যাচ্ছে। সেখানে স্পেশাল কেয়ার নিতে হবে। তার জন্যে ম্যাপিং করা হচ্ছে। আমাদের ভবিষ্যতের কথা ভাবতে হবে না? বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা সীমানা রয়েছে। বাংলাদেশ-নেপালের সীমান্তও আছে। আমাদের ম্যাপ তৈরি করতে হয়। সেনসেটিভ জোন আছে আমাদের।”
কবে থেকে করোনার ‘র্যাপিড টেস্টিং’ শুরু হবে? এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতর বলতে পারবে। আইসিএমআর গাইডলাইন দিয়ে দেয়। আমাদের বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। গ্লোবাল অ্যাডভাইজারি বোর্ডও আছে। এ সব বিষয় স্বাস্থ্য ভবন ঠিক করবে।”
(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)