Coronavirus

সীমান্ত নিয়ে বৈঠক চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সঙ্গে তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতে পারে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২০ ০৬:০৬
Share:

লকডাউনে বন্ধ পেট্রাপোল সীমান্ত। —ফাইল চিত্র

করোনা মোকাবিলায় ভুটান, নেপাল এবং বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজরদারির দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ভিডিয়ো বৈঠকে এই দাবি জানান তিনি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও উপস্থিত ছিলেন। সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে আলাদা বৈঠক ডাকতে শাহকে অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দিষ্ট ভাবে কিছু বলেননি। তবে সূত্রের খবর, কেন্দ্র এ নিয়ে সমন্বয় বাড়াতে বিএসএফ-সহ কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যকেও ডাকতে পারে।

Advertisement

এ দিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সঙ্গে তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি খুবই খারাপ হতে পারে। একবার সীমান্ত দিয়ে সংক্রমণ ছড়ালে বাংলা, উত্তর-পূর্ব, বিহারে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আলাদা করে বৈঠক ডেকে সীমান্তে নজরদারি চালানো নিয়ে কঠোর হতে বলেছি। বৈঠক হলে আমাদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন।’’

সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের উল্টো দিকে বাংলাদেশের জেলাগুলিতে করোনা মারাত্মক ভাবে ছড়িয়েছে। সেই কারণে বিএসএফ ইতিমধ্যে ওই এলাকায় কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। এমনকি গ্রামবাসীদেরও জ়িরো পয়েন্টে গরু-ছাগল নিয়ে চড়াতে যেতে

Advertisement

দিচ্ছে না। বহু গ্রামের মানুষকে আটকেও রাখতে বাধ্য হচ্ছে বিএসএফ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সমস্ত যাতায়াত। নেপাল ও ভুটান সীমান্তের বেশ কয়েকটি চেকপোস্ট দিয়েও লোকজন এ রাজ্যে ঢুকে পড়তে চাইছে। বেশ কয়েক বার পুলিশ তাদের ধরে ফেরত পাঠিয়েছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে সংক্রমণ ঠেকাতে নেপাল-ভুটান থেকে আপাতত এ দেশে লোকজনের আসা বন্ধ করতে চাইছে সরকার। ভুটান সরকার অবশ্য বিশেষ বিমান চালিয়ে কলকাতায় আটকে থাকা ভুটানিদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement