প্রতীকী চিত্র
বিনা চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এই হাসপাতালকে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি হন জলপাইগুড়ি শহরের মহামায়া পাড়ার বাসিন্দা রঞ্জন মিত্র (৫২)। তাঁর দাদা চন্দন মিত্রর অভিযোগ, ভর্তির পর থেকে বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখা হয়েছিল রঞ্জনকে। বুধবার সকালে গিয়ে তিনি দেখতে পান মৃত্যু হয়েছে ভাইয়ের।
এই ঘটনার জন্য হাসপাতালের অব্যবস্থা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকে দায়ী করেছে পরিবার। এই ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। দোষীদের শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। কিছুক্ষণ পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।
এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের সুপার গয়ারাম নস্কর বলেন, ‘‘রঞ্জনকে হাসপাতালে আনার পর তাঁকে যাবতীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর ফুসফুস এতটাই বিকল হয়ে গিয়েছিল যে তাঁর চিকিৎসা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমি পরিবারের অভিযোগ শুনেছি। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।’’