কলকাতা প্রেস ক্লাবে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানাল ‘সুভাষ বসু রিসার্চ সেন্টার’। — নিজস্ব চিত্র।
বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু হয়নি, এমন দাবি করে মুখার্জি কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে যাতে সংসদে আলোচনা হয় এবং কেন্দ্র যাতে ‘তাইওয়ান ফাইল’ প্রকাশ্যে আনে, সেই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করল ‘সুভাষ বসু রিসার্চ সেন্টার’ নামে একটি সংস্থা। তাদের তরফে বিট্টু রায়চৌধুরী, সৌম্যব্রত দাশগুপ্ত, সৈকত নিয়োগী কলকাতা প্রেস ক্লাবে শুক্রবার জানিয়েছেন, তাইহোকুতে ১৯৪৫-এর ১৮ অগস্ট যে কোনও বিমান দুর্ঘটনা ঘটেনি, সেই সংক্রান্ত নিশ্চিত তথ্য তাঁরা ভারতে তাইওয়ান-মিশনের দূত মমিন চেন এবং সেখানকার সরকার স্বীকৃতি গবেষক ইয়েন জুঙ চ্যাঙের সূত্রেই পেয়েছেন। সৈকতদের বক্তব্য, তাঁদের পাঠানো ই-মেলের জবাবে মমিন বলেছেন, ‘তাইওয়ান সরকারের কাছে এমন কোনও নথি নেই, যা থেকে সুভাষচন্দ্রের মৃত্যু নিশ্চিত করা যায়।’
সুভাষচন্দ্রের অন্তর্ধান বিষয়ে পূর্বতন বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কাছে সংস্থাটির দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ের যে সব গোয়েন্দা-নথি বিভিন্ন দেশ সম্প্রতি প্রকাশ্যে আনছে, তার মধ্যে থাকা সুভাষচন্দ্র-সংক্রান্ত নথি রাজ্যে এনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার অনলাইন-আর্কাইভ করুক। সুভাষচন্দ্রের জন্মদিনকে ‘দেশপ্রেম দিবস’ হিসাবে জাতীয় ছুটি ঘোষণা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সুভাষচন্দ্রের রাজনৈতিক মতবাদকে বিশেষ দার্শনিক মতবাদ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই সুভাষচন্দ্রের সম্মানে বিশেষ চেয়ার-অধ্যাপক পদ তৈরির দাবিও তুলেছেন তাঁরা। বিট্টুর বক্তব্য, “সুভাষচন্দ্রকে নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থ আমরা দেখতে পাই। তা বন্ধ হওয়া এবং প্রকৃত সত্য সামনে আসা জরুরি।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে