টুকরো খবর

“বাঁচার মত বাঁচতে”— স্লোগানের এই প্রথম লাইনটা বলতেই সঙ্গে সঙ্গে মুখ চেপে ধরছিলেন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক তৃণমূল নেতা। কিন্তু তত ক্ষণে বাকিদের মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে স্লোগানের বাকি অংশ— “তারা-হাতুড়ি-কাস্তে”। সোমবার প্রচারের আরামবাগের লিঙ্করোডে তৃণমূলের শোভাযাত্রায় এই কাণ্ড দেখে মুখ টিপে হাসলেন পথচলতি মানুষ। মন্তব্য উড়ে এল, “পুরনো অভ্যাস বদলায়নি।”

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০১৪ ০২:১৯
Share:

শেষবেলার ভোটপ্রচারে হাওড়া-হুগলি
নিজস্ব প্রতিবেদন

Advertisement

“বাঁচার মত বাঁচতে”— স্লোগানের এই প্রথম লাইনটা বলতেই সঙ্গে সঙ্গে মুখ চেপে ধরছিলেন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক তৃণমূল নেতা। কিন্তু তত ক্ষণে বাকিদের মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে স্লোগানের বাকি অংশ— “তারা-হাতুড়ি-কাস্তে”। সোমবার প্রচারের আরামবাগের লিঙ্করোডে তৃণমূলের শোভাযাত্রায় এই কাণ্ড দেখে মুখ টিপে হাসলেন পথচলতি মানুষ। মন্তব্য উড়ে এল, “পুরনো অভ্যাস বদলায়নি।” আরামবাগের পূর্ব কৃষ্ণপুরে তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার গরুর গাড়িতে দাঁড়িয়ে প্রচার সারলেন। সিপিএম গোঘাটের বেঙ্গাই মোড়ে পথসভা করে। ছিলেন প্রার্থী শক্তিমোহন মালিক। বিজেপি এবং কংগ্রেসও জোরকদমে শেষবেলায় প্রচার করেছে। ত্রিবেণীতে বিজেপি প্রার্থী চন্দন মিত্রের রোড-শো হয়েছে। হরিপালে হেলিকপ্টারের সিগন্যাল না পেয়ে নির্দিষ্ট সময়ের দু’ঘণ্টা পরে পৌঁছন মিঠুন চক্রবর্তী, মদন মিত্রেরা। হুগলির সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহা ধনেখালিতে রোড শো করেন। ওই কেন্দ্রেই রত্না দে নাগ পাণ্ডুয়ায় প্রচার সারেন। কংগ্রেস প্রার্থী প্রীতম ঘোষ চন্দননগর থেকে শুরু করে সপ্তগ্রাম পর্যন্ত প্রচার করেন। সিপিআই (এমএল) প্রার্থী সজল অধিকারী ধনেখালিতে বাড়ি বাড়ি ঘোরেন। প্রচারের শেষ সন্ধ্যায় তৃপ্তির হাসি উলুবেড়িয়ার তৃণমূল প্রার্থী সুলতান আহমেদের মুখে। সিপিএম প্রার্থী সাবিরুদ্দিন মোল্লা গ্রামে গ্রামে ঘুরেছেন। বাউড়িয়ায় রোড শো করেন কংগ্রেস প্রার্থী অসিত মিত্র। এ দিন গিয়েছিলেন তৃণমূলের ‘গড়’ বলে পরিচিত বাগনানের ওড়ফুলি পঞ্চায়েত এলাকায়। বললেন, “‘ওড়ফুলিতে আমাদের প্রবেশ যেন আগে নিষিদ্ধই ছিল।” প্রচারে বেরোন বিজেপির রঞ্জিতকিশোর মোহান্তিও।

Advertisement

বন্ধ লগ্নি সংস্থার এজেন্টের দেহ
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

দড়িতে হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় নয়ানজুলি থেকে একটি বন্ধ হয়ে যাওয়া লগ্নি সংস্থার এজেন্টের দেহ উদ্ধার ঘিরে সোমবার সকালে উত্তেজনা ছড়াল মগরাহাটে। স্থানীয় বাঁকিপুর গ্রামের বাসিন্দা নিহত লালবাবু গাজি (২৮) এলাকায় কংগ্রেস সমর্থক হিসেবে পরিচিত হওয়ায় খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগে। কংগ্রেসের অভিযোগ, ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল অবশ্য এই অভিযোগ মানতে চায়নি। অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রায় তিন ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের অনুমান, আর্থিক লেনদেন নিয়ে গোলমালের কারণে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় ওই যুবককে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ওই বেআইনি লগ্নি সংস্থার এক এজেন্ট-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তেরা পলাতক বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

Advertisement

মৃতদেহ উদ্ধার নিয়ে ধুন্ধুমার বসিরহাটে
নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারে সোমবার সন্ধ্যায় ধুন্ধুমার ঘটে গেল বসিরহাটে। এক দল জনতা একটি হোটেলে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। অবরোধ করা হয় টাকি রোড। বসিরহাট থানার আইসি বিশাল বাহিনী নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ রাহারহাটি এলাকায় একটি হোটেলের পিছনে বেলে ধান্যকুড়িয়ার বাসিন্দা হাসান মণ্ডলের (৪৮) দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানায়, হাসানের পেটে ও হাতের কিছু অংশে গরম জলে পোড়ার মতো দাগ ছিল। জনতার একাংশের দাবি, একটি হোটেলে মদ খাওয়া নিয়ে বচসার জেরে হাসানের গায়ে গরম জল ঢেলে দেওয়া হয়। অন্যপক্ষের দাবি, বেশি মদ খাওয়ার জন্যই মৃত্যু হয় হাসানের। দু’পক্ষের বচসার মধ্যেই এক দল জনতা রাস্তার ধারে একটি হোটেলে ভাঙচুর, লুঠপাট চালায়। বসিরহাটের আইসি প্রসেনজিত দাস বলেন, “ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।”

নির্বাচন কমিশনে নালিশ বামেদের
নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

খুনে অভিযুক্ত এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার না করে নির্বাচন কমিশনকে অমান্য করছে পুলিশ। বসিরহাটের স্বরূপনগর থানার ওসির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে এমনই অভিযোগ জানাল উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্ট। পুলিশ সূত্রের খবর, গত ৩১ জুলাই স্বরূপনগরে দুষ্কৃতীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান সিপিএম নেতা রফিকুল গাজি। তাঁর পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগে নাম ছিল তৃণমূল নেতা তথা স্বরূপনগর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হাবিবুর রহমান ওরফে মুকুলের। বামফ্রন্ট নেতৃত্বের অভিযোগ, মুকুল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ ধরছে না।

দম্পতি গ্রেফতার
নিজস্ব সংবাদদাতা • বসিরহাট

শ্লীলতাহানি ও মারধরের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় হাড়োয়া থানার বাসাবাটি গ্রামের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বিবাদের জেরে এক তৃণমূল নেতার স্ত্রীকে মারধর এবং তাঁর শ্লীলতাহানির অভিযোগে সুধীর মৃধা ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়।

‘দুষ্টু’ আরাবুল
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

ভাঙড় কলেজের শিক্ষিকা নিগ্রহ থেকে শুরু করে ওই এলাকায় নানা গোলমালে বারবার উঠে এসেছে তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের নাম। সোমবার যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুগত বসুর সমর্থনে ভাঙড়ের পোলেরহাট সব্জিবাজারে এক সভায় দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরাবুলকে ‘দুষ্টু’ বলেও তারিফ করলেন। পার্থবাবু বলেন, “কেউ দুষ্টুমি করলে লোকে দুষ্টু লোক বলে। আরাবুল মাঝে মাঝে দুষ্টুমি করে ঠিকই। কিন্তু ও ভাল ছেলে, দক্ষ সংগঠক।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement