Special Intensive Revision

নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসুর শুনানি নোটিস নিয়ে বিতর্ক! প্রশ্নের মুখে কারণ ব্যাখ্যা করল কমিশন

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন ওঠে, নেতাজির পৌত্রকেও কি নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? নেতাজির পরিবার যদি ভারতীয় না হন, তবে আর কে হবেন?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৪৬
Share:

চন্দ্রকুমার বসু। — ফাইল চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানিতে ডাক পড়েছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পরিবারের সদস্যের! তাঁর পৌত্র চন্দ্রকুমার বসুকে শুনানিতে ডাকা নিয়ে শোরগোল পড়তেই ব্যাখ্যা দিল নির্বাচন কমিশন। কেন চন্দ্র বসুকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তার কারণ জানানো হয়েছে।

Advertisement

এসআইআর পর্বের প্রথম পর্যায়ে বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও) বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করেছেন। ভোটারেরা সেই ফর্ম পূরণের পর তা সংগ্রহও করেছেন তাঁরা। সেই ফর্মের ভিত্তিতে তৈরি হয় খসড়া তালিকা। তার পরেই তথ্যগত অসঙ্গতি-সহ নানা কারণে ভোটারদের শুনানি নোটিস পাঠিয়ে তলব করছে কমিশন। সেই নোটিস পেয়েছেন নেতাজির পৌত্র।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন ওঠে, নেতাজির পৌত্রকেও কি নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? নেতাজির পরিবার যদি ভারতীয় না হন, তবে আর কে হবেন? অনেকে সমাজমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তার পরেই কমিশন চন্দ্র বসুকে শুনানি নোটিস পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করল।

Advertisement

কমিশনের ব্যাখ্যা, চন্দ্র বসুর জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে, তিনি নিজেই ‘লিঙ্কেজ’ সংক্রান্ত অংশটি ফাঁকা রেখেছিলেন। সেই কারণে নিয়ম মোতাবেক অন্যান্য ভোটারের মতো তাঁকেও শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। ‘লিঙ্কেজ’ সংক্রান্ত বিষয়টি হল, এনুমারেশন ফর্মে প্রত্যেক ভোটারকে উল্লেখ করতে হচ্ছে, তাঁর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে কি না। যদি থাকে তবে সেই তথ্য ভরতে হয়েছে ফর্মে। আর যদি নাম থাকে তবে পরিবারের সদস্যের অর্থাৎ বাবা-মা বা নিকট আত্মীয় যাঁদের নাম ওই তালিকায় ছিল, তাঁদের তথ্য দিতে হচ্ছে। কমিশনের দাবি, চন্দ্র বসু ওই অংশ পুরোটাই ফাঁকা রেখে এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছিলেন! কমিশন বার বার স্পষ্ট করেছে, তাদের কাছে সব ভোটারই সমান।

অতীতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, অভিনেতা-সাংসদ দীপক অধিকারী, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি-সহ একঝাঁক নামী ব্যক্তিত্বকে শুনানি নোটিস পাঠানো নিয়ে বিতর্কের জন্ম দেয়। পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল বার বার এই বিষয়টি নিয়ে কমিশন এবং বিজেপিকে নিশানা করেছে। সেই আবহে এ বার চন্দ্র বসুকে শুনানি নোটিস পাঠানো নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে।

Advertisement

(এই খবর যখন প্রকাশ হয়েছিল, তখন চন্দ্র বসুকে নেতাজির প্রপৌত্র লেখা হয়েছিল। তবে তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রৌত্র। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement