Transport Policy of West Bengal

মোদীর ঘোষণার পর ব্যক্তিগত গাড়ি চলুক ‘অড-ইভেন’ পদ্ধতি মেনে, প্রস্তাব বাস সংগঠনগুলির

শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একসময় তিনি ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রীর দায়িত্বে। তাই এ হেন সঙ্কটকালে তিনিও বিশেষ ভাবে উদ্যোগী হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৩:১১
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে অপ্রয়োজনীয় ভাবে ডিজ়েল ও পেট্রল অপচয় না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর সেই বিবৃতিতে সায় দিয়ে দেশ জুড়ে ডিজ়েল ও পেট্রলের সম্ভাব্য সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগের আবহে চার চাকা ও দু’চাকার ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ‘অড অ্যান্ড ইভেন’ নিয়ম চালুর দাবি তুলল জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটস। সংগঠনের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে জ্বালানির অপচয় অনেকটাই কমবে এবং মানুষ গণপরিবহণ ব্যবহারে আরও উৎসাহিত হবেন। শনিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একসময় তিনি ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী। তাই এ হেন সঙ্কটকালে তিনিও বিশেষ ভাবে উদ্যোগী হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে মেট্রো ও অন্যান্য গণপরিবহণ বেশি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। সেই বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়েই বাস সিন্ডিকেটের তরফে একাধিক প্রস্তাব সামনে আনা হয়েছে। বাস সংগঠনগুলির বক্তব্য, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। ছোট চারচাকা ও দু’চাকার গাড়ির সংখ্যা দেশে বিপুল। সেই তুলনায় একটি গণপরিবহণে একসঙ্গে বহু মানুষ যাতায়াত করতে পারেন। তাই জ্বালানি সাশ্রয়ের স্বার্থে এখনই ‘অড অ্যান্ড ইভেন’ নিয়ম চালু করা উচিত।”

প্রস্তাব অনুযায়ী, একদিন জোড় সংখ্যার গাড়ি এবং পরের দিন বিজোড় সংখ্যার গাড়ি রাস্তায় নামতে পারবে। এর ফলে রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কমবে এবং ডিজ়েল-পেট্রলের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পাবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

Advertisement

এর পাশাপাশি ‘পার্ক অ্যান্ড রাইড’ ব্যবস্থা চালুর পক্ষেও সওয়াল করেছে বাস সংগঠনগুলি। এই নিয়মে শহরের বাইরে বা নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং করে সেখান থেকে বাস, মেট্রো বা অন্য গণপরিবহণে চেপে শহরে ঢুকতে হবে। ফেরার সময়ও একই পদ্ধতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে। তাঁর দাবি, এতে যেমন যানজট কমবে, তেমনই জ্বালানি সাশ্রয়ও হবে। বাস সংগঠনের মতে, যদি ডিজ়েলের সঙ্কটের কারণে গণপরিবহণ পরিষেবা ব্যাহত হয়, তা হলে তার প্রভাব গোটা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর পড়বে। তাই এখন থেকেই বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার দ্রুত এ বিষয়ে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement