TMC Arrest

আবাসে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে মুর্শিদাবাদে গ্রেফতার, ভোট-পরবর্তী হিংসায় হুগলিতে ধৃত তিন তৃণমূল কর্মী!

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ব্লকের দেবীপুর অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতির ঘনিষ্ঠ গ্রেফতার। হুগলির ধনেখালিতে গ্রেপতার তৃণমূলের তিন জন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ১৯:২১
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বাংলা আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে উপভোক্তাদের কাছ থেকে ‘কাটমানি’ বা তোলা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার দাপুটে তৃণমূল নেতা। অন্য দিকে, হুগলিতে ভোট-পরবর্তী হিংসায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ব্লকের দেবীপুর অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন বাবলু মণ্ডল। এলাকার প্রাক্তন এক তৃণমূল বিধায়কের তিনি ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত বাবলুকে মঙ্গলবার বহরমপুর জেলা আদালতে হাজির করানো হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, দেবীপুর এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরেই আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে উপভোক্তাদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বাবলুর নামে। এই নিয়ে স্থানীয় স্তরে ক্ষোভ জমছিল। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

Advertisement

যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব জানাচ্ছেন, আইন আইনের পথেই চলবে। দল কোনও দুর্নীতির দায় নেবে না। কেউ সেটা করে থাকলে ব্যক্তিগত ভাবে করেছেন।

অন্য দিকে, ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ধৃত তিন তৃণমূলকর্মীকে আদালতে পাঠানো হল হুগলির ধনেখালি থানার পুলিশ। গত ১৮ মে ২০২৬ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে এবং তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী অফিসার এএসআই রামজয় ঘোষ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরেই ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় জড়িত তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালের ৩ মে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অভিযোগকারীর বাড়িতে জোর করে ঢোকেন বলে অভিযোগ। গালিগালাজ, হুমকি দেওয়া, জিনিসপত্র ভাঙচুর করা থেকে অভিযোগকারীকে শারীরিক ভাবে হেনস্থা এবং তাঁর বৃদ্ধা মায়ের শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কর্মীদের নাম অভিমন্যু রায় ওরফে বিলু, সুশান্ত রায় ওরফে কচি বুড়ো এবং সাহেব সরকার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement