হুগলি মহিলা কলেজের হস্টেলে ১৯৭৪ সাল থেকে রাঁধুনির কাজ করতেন সরস্বতী কর্মকার। ২০১৪-র নভেম্বরে অবসরের পরে অবসরকালীন পাওনা বা পেনশন না-পেয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁর আইনজীবী প্রীতম চৌধুরী সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাকের আদালতে জানান, মার্চে কলেজ-কর্তৃপক্ষ তাঁর মক্কেলকে বলেছিলেন, এক মাসের মধ্যে অবসরকালীন পাওনা ও পেনশন মেটানো হবে। কিন্তু এখনও টাকা দেওয়া হয়নি। ক্ষুব্ধ বিচারপতির নির্দেশ, ওই মহিলার বকেয়া না-মেটানো পর্যন্ত ওই কলেজের অধ্যক্ষের বেতনও বন্ধ থাকবে।