Coronavirus

বেতনের দাবিতে আন্দোলনে বিশেষজ্ঞরা

কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে গত জুন-জুলাইয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে পিজিটি হিসাবে যোগ দেন আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২০ ০৫:১৫
Share:

প্রতীকী ছবি।

‘বেতনহীন’ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ! কোভিড আবহে এ ধরনের পোস্টার হাতেই সোমবার ধর্নায় বসলেন ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব হাইজিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথে’র পিজিটি (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি) চিকিৎসকেরা। জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদের অভিযোগ, গত চার মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না প্রথম বর্ষের পিজিটি’রা। এ নিয়ে একাধিকবার কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি জানিয়ে কাজ না-হওয়ায় ধর্নায় বসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে গত জুন-জুলাইয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে পিজিটি হিসাবে যোগ দেন আন্দোলনরত চিকিৎসকেরা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের চেতলা এবং সিঙ্গুরে ক্লিনিক আছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, কোভিড আবহে সেই সব ক্লিনিকে পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা কর্তব্যে কখনও গাফিলতি করেননি। কিন্তু ‘কোভিড যোদ্ধা’ হয়েও চারমাস ধরে কেন বেতন নেই! যার প্রেক্ষিতে এদিন আন্দোলনকারীদের পোস্টারের কোথাও লেখা, স্টেথোস্কোপের পরিবর্তে প্ল্যাকার্ড ধরতে বাধ্য করা হচ্ছে। কোথাও আবার বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ‘বেতনহীন ১২০ দিন, কর্তৃপক্ষ জবাব দিন’!

এর জন্য কোভিড আবহের কারণে তৈরি হওয়া অনভিপ্রেত পরিস্থিতিকেই দায়ী করেছেন কর্তৃপক্ষ। এদিন ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর উৎপল চট্টোপাধ্যায় জানান, এ বছর কমিউনিটি মেডিসিনে এমডি আসনের সংখ্যা দশ থেকে বেড়ে কুড়ি করা হয়েছে। ডিপিএইচে’র (ডিপ্লোমা ইন পাবলিক হেলথ) যে দশটি আসন ছিল সেগুলি এমডি’তে যুক্ত হওয়ার পরে আসনের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু এ সংক্রান্ত আর্থিক অনুমোদনের বিষয়টি দিল্লি থেকে এখনও না আসায় বেতন আটকে রয়েছে। ডিরেক্টরের বক্তব্য, অনুমোদনের জন্য গত মার্চ থেকে দিল্লিতে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির জন্য দফতরের সব কাজ থমকে ছিল। সবে অচলাবস্থা কাটা শুরু হয়েছে। এ দিন সকালেও পিজিটি’দের অসন্তোষের কথা ই-মেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে দাবি করেন ডিরেক্টর। তাঁর বক্তব্য, প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ডিনকে পাঠানোর কথা ভাবা হয়। কিন্তু তিনি আচমকা অসুস্থ হওয়ায় তা হয়নি। দ্রুত সমস্যার মেটার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement