—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
চার বছর পরে ফের পরিবারেরই সদস্য-বিয়োগ হল বলে মনে করছেন। অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপমৃত্যুতে মুষড়ে পড়েছেন হাওড়ার আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের পরিবারের লোকেরা। আনিসের রহস্যজনক মৃত্যুর পরে দু’বার ওই বাড়িতে এসেছিলেন রাহুল। তার পর থেকে প্রায়ই ফোনে খোঁজ নিতেন পরিবারটির। কয়েক দিন আগেই হাওড়ার শিবপুরে একটি ইফতার পার্টিতে তাঁদের সঙ্গে রাহুলের দেখাও হয়েছিল।
আনিসের দাদা সাবির বলেন, “রাহুলের মৃত্যু আমাদের কাছে চরম দুঃসংবাদ। মনে হচ্ছে, বাড়ির কোনও লোককে হারালাম। শিবপুরের ইফতার পার্টিতে আনিসকে নিয়ে রাহুলের সঙ্গে অনেক কথা হয়েছিল। বুঝতে পারিনি, সেটাই হবে আমাদের শেষ কথাবার্তা।”
২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে আমতার সারদা গ্রামের বাসিন্দা আনিসের বাড়িতে পুলিশ যায়। আনিস বাড়ির তেতলার ঘরে ছিলেন। পুলিশকর্মীরা বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগেই তেতলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় আনিসের। পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে তাঁর পরিবার। প্রতিবাদে অনেকের সঙ্গে শামিল হয়েছিলেন রাহুলও।
সাবির জানান, আনিসের মৃত্যুর পরে রাহুল দু’বার তাঁদের বাড়িতে যান। তখন রমজান মাস চলছিল। এক দিন ইফতারের ফলমূল এবং পাড়ার লোকজনের মধ্যে বিলি করার জন্য মিষ্টি এনেছিলেন। তাঁর ছেলেমেয়ের জন্য এনেছিলেন নতুন জামা। ইফতারে একসঙ্গে বসে খেয়েছিলেন। দ্বিতীয় বার রাহুল আসেন ইদের দিনে। সে দিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা বাদশা মৈত্র।
সাবির বলেন, “দু’বারই এসে রাহুলদা বার বার আমাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন।” রাহুলের ব্যবহারে আপ্লুত হয়েছিলেন আনিসের বাবা সালেম খানও। তাঁর সঙ্গে ফোনে প্রায়ই কথা হত অভিনেতার। তিনি বলেন, “অমায়িক ব্যবহার ছিল। ফোনে খবরাখবর নিতেন। ওঁর এ ভাবে মৃত্যু মানতে পারছি না!”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে