শেওড়াফুলি, চন্দননগর, ব্যান্ডেল, শ্রীরামপুরের পরে শুক্রবার আরপিএফের উপস্থিতিতে হুগলির জিরাট স্টেশন থেকে হকার উচ্ছেদ করল রেল। রেলের সঙ্গে যুঝে উঠতে পারবেন না বুঝে অনেক হকার দোকানের কাঠামো এবং সরঞ্জাম বাঁচাতে নিজেরাই তা সরিয়ে নেন।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম এবং লাগোয়া জায়গায় গত মঙ্গলবারের মধ্যে হকারদের সরে যেতে নোটিস দিয়েছিল রেল। ১ নম্বর প্লাটফর্ম এবং সংলগ্ন চত্বরে সেই সময়সীমা ছিল বৃহস্পতিবার। ওই সময়সীমা পেরোতেই শুক্রবার সকালে আরপিএফকে নিয়ে অভিযানে নামেন রেল কর্তৃপক্ষ। উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেলুন মালিক কালা শীল, ফটোকপির দোকানদার আনন্দ চক্রবর্তীরা জানান, অনেক বছর ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছিলেন। উঠে যেতে বাধ্য হওয়ায় রুটি-রুজিতে টান পড়ল।
পূর্ব রেলের ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত বলেন, ‘‘জিরাট স্টেশন এবং সংলগ্ন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও যাত্রী সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’’
জিরাট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি নেতা অশোক পোদ্দারের বক্তব্য, এর আগেও উন্নয়নের নামে এখানে দোকানপাট উচ্ছেদ করেছিল রেল। কিন্তু সেই অংশে উন্নয়ন কার্যত কিছুই হয়নি। এ বার ফের একই পন্থা নেওয়া হল। তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি নিয়ে রেলের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এ ভাবে উচ্ছেদ চললে আমরা আন্দোলনের পথে নামব।’’ এ দিন উচ্ছেদের সময় অবশ্য কোনও আন্দোলন হয়নি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে