—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যে মাত্র দু’দফায় ভোট। ফলে ভোটকর্মীদের বুথে পাঠাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় বাস-মিনিবাস জোগাড় করতে না পারলে কী হবে, তা ভেবে এখন থেকেই মাথায় হাত পড়েছে হাওড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের। সেই কারণে প্রথম দফায় ভোট মিটে যাবে, এমন কোনও জেলাকে বাস দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক স্তরে আবেদন করার কথা ভাবছেন আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের কর্তারা।
তাঁদের বক্তব্য, এত দিন ৫-৭ দফায় ভোট হওয়ায় হাওড়া-হুগলি জেলায় আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন হত। তাতে পার্শ্ববর্তী জেলা কলকাতা থেকে বাস-মিনিবাস পেতে অসুবিধা হত না। কিন্তু এ বার কলকাতাতেও একই দিনে ভোট হওয়ায় বাস-মিনিবাস মিলবে কোথা থেকে, তা নিয়েই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আঞ্চলিক পরিবহণ দফতরের কর্তাদের।
এ রাজ্যে নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল হাওড়ায় ভোটের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই দিন দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনে নির্বাচন। সেই তালিকায় হাওড়া-হুগলির সঙ্গে কলকাতা-সহ আশপাশের জেলাও রয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, হাওড়া জেলায় শহরাঞ্চলে ও গ্রামীণ এলাকায় ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে যথাক্রমে ১৪৩০টি এবং ২৯২৫টি। এ ছাড়া, অক্সিলিয়ারি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ১২৩টি। অর্থাৎ, মোট ৪৪৭৮টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে কর্মীদের ভোটের বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
হাওড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসার মানস হালদার বলেন, ‘‘হাওড়ার ভোটকর্মীদের জন্য অন্তত ১২০০ বাস-মিনিবাসের প্রয়োজন। কিন্তু এই জেলায় বাস-মিনিবাস রয়েছে ৯০০টি। বাকি ৩০০টির জোগান কী ভাবে হবে, তা নিয়েই সমস্যা দেখা দিয়েছে।’’ তিনি জানান, পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলিতে অনেক দফায় ভোট হওয়ায় হাওড়া-হুগলির ভোট একই দিনে হত। ফলে, তখন কলকাতা থেকে বাকি বাস-মিনিবাসের ব্যবস্থা করতে সমস্যা হত না। কলকাতার বাসমালিক সংগঠনগুলিকে জানালে তাঁরাই বাস পাঠাতেন। কিন্তু এ বার যে হেতু কলকাতা ও হাওড়ায় একই দিনে ভোট, তাই অতিরিক্ত ৩০০টি বাস জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
মানস আরও বলেন, ‘‘প্রাথমিক ভাবে ঠিক করেছি, পূর্ব মেদিনীপুরের বাস সংগঠনের কাছে আবেদন করব, যদি সেখান থেকে ৩০০টি বাস ভোটের দু’দিন আগে হাওড়ায় পাঠাতে পারে। আশা করছি, আমাদের আবেদনে সংগঠন সাড়া দেবে।’’ জেলা আঞ্চলিক পরিবহণ দফতর সূত্রের খবর, নির্বাচনের জন্য ছোট গাড়ির প্রয়োজন রয়েছে অন্তত ৭৫০টি। সেগুলি রাস্তা থেকেই ধরার কাজ শুরু হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে