China Taiwan Conflict

ইরান-ইজ়রায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যেই নেপোয় মারে দই! ‘নৌকাবিহারে’ দ্বীপরাষ্ট্র দখলে হাত বাড়াচ্ছে ড্রাগন

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মধ্যেই উত্তপ্ত হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা। সুযোগ বুঝে তাইওয়ান দখল করতে এখনই বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করবে চিন? বেজিঙের ভাড়াটে ফৌজের নৌকাবহরের আনাগোনা বৃদ্ধিতে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৫
Share:
০১ ২০

ইজ়রায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে নেমেছে আমেরিকা। অন্য দিকে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত ইউরোপ। এই সুযোগে সাবেক ফরমোজ়া তথা তাইওয়ান (রিপাবলিক অফ চায়না বা আরওসি) ‘গিলে খাবে’ গণপ্রজাতন্ত্রী চিন! বিশ্বের দুই প্রান্তে ভূ-রাজনৈতিক চরম অস্থিরতার মধ্যেই নীরবে ষড়যন্ত্রের জাল বিছোতে শুরু করেছে বেজিং। ফলে আতঙ্ক বাড়ছে দ্বীপরাষ্ট্র ও সমগ্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায়।

০২ ২০

সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি ‘পিপল্‌স লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ নৌবাহিনীর কীর্তিকলাপ ফাঁস করে সংবাদসংস্থা এএফপি। সেখানে বলা হয়েছে, হঠাৎ করেই পূর্ব চিন সাগরে হাজার হাজার মাছ ধরার নৌকা জড়ো করেছে বেজিং। বিভিন্ন জ্যামিতিক আকার নিয়ে তাইওয়ান প্রণালীর খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে তারা। এগুলিকে সামনে রেখেই সাবেক ফরমোজ়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে পারে ড্রাগন, বলছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ।

Advertisement
০৩ ২০

এ ব্যাপারে জাহাজ ট্র্যাকিং সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেছে এএফপি। সংবাদসংস্থাটির দাবি, খুব অল্প দিনের মধ্যে অন্তত দু’বার তাওয়ান উপকূলের মাত্র ৩০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে একটি সমান্তরাল রেখা তৈরি করে ওই সমস্ত চিনা মাছ ধরার নৌকা। তাদের সংখ্যা ছিল আনুমানিক ১,৩০০ থেকে ২,০০০। পরে অবশ্য কিছুটা ছত্রভঙ্গ হয়ে ফের ড্রাগনভূমির বিভিন্ন বন্দরে ফিরে যায় তারা। তবে নৌকাগুলি তাইওয়ান প্রণালীর উপর থেকে নজর সরিয়েছে, একথা এখনই বলা যাবে না।

০৪ ২০

এএফপি জানিয়েছে, ‘অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম’-এর মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিনের নৌকাবহরকে চিহ্নিত করে জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাইওয়ান উপকূলের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছোনোর পর প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখে পড়ে তারা। কিন্তু, টানা ৩০ ঘণ্টা ঝোড়ো হাওয়ার মধ্যেও জলযানগুলি তাদের সমান্তরাল জ্যামিতিক আকার বদল করেনি। শুধু তা-ই নয়, বেজিঙের নৌকাবহরের দাপটে বন্দরে ফিরতে বাধ্য হয় দক্ষিণ কোরিয়া বা আরওকে-র (রিপাবলিক অফ কোরিয়া) একগুচ্ছ ট্রলার।

০৫ ২০

চিনের এ-হেন পদক্ষেপকে অত্যন্ত সন্দেহের চোখে দেখছে জাপান। সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে টোকিয়োর গণমাধ্যম নিক্কেই লিখেছে, ২০১৬ সালে ঠিক একই কায়দায় ২০০-৩০০ মাছ ধরার নৌকা নিয়ে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ ঘিরে ফেলেছিল পিএলএ নৌবাহিনী। এই নিয়ে সামুরাই যোদ্ধারা সুর চড়ালে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় তাঁরা। তাইওয়ানের মতোই সেনকাকুকে নিজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দাবি করে থাকে ড্রাগন। আর তাই জাপানি দ্বীপপুঞ্জটির নতুন নাম দিয়াওয়ু রেখেছেন মান্দারিনভাষীরা।

০৬ ২০

এ ব্যাপারে জাপানি গণমাধ্যম নিক্কেইয়ের কাছে মুখ খুলেছেন কিউশু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং চিনা সামুদ্রিক নীতির বিশেষজ্ঞ হিসাবে পরিচিত চিসাকো মাসুও। তাঁর কথায়, ‘‘আগে কখনও চিনের নৌকাবহরের এত বড় সমাবেশের কথা শোনা যায়নি। এর নেপথ্যে দুটো কারণ থাকতে পারে। এক, তাইওয়ান দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে বেজিং। দুই, টোকিয়ো ও তাইপের উপর চাপ বৃদ্ধির নতুন কৌশল নিচ্ছে ড্রাগনের নৌসেনা।’’

০৭ ২০

প্রায় একই সুর শোনা গিয়েছে গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহের পাঠানো তথ্যের বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘ইনজেনিস্পেস’-এর প্রধান অপারেটিং অফিসার জেমস ওয়াঙের গলায়। এএফপিকে তিনি বলেছেন, ‘‘গোটা ঘটনাটা খুবই অস্বাভাবিক। কারণ, একসঙ্গে ২,০০০-৩,০০০ মাছ ধরার নৌকা বা ট্রলার কখনও মাঝসমুদ্রে সরলরেখায় চলে না। শৃঙ্খলার নিরিখে তাদের ঘোরাফেরাকে যে কোনও শক্তিশালী নৌবহরের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।’’

০৮ ২০

সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার জেনিফার পার্কার। তিনি বলেছেন, ‘‘চিনের নৌকাবহর তাইওয়ান প্রণালীতে অবশ্যই মাছ ধরছিল না। এটা কোনও মহড়া বা নজরদারির কৌশল হতে পারে। সাবেক ফরমোজ়া দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় সেখানে আক্রমণ শানাতে বেজিঙের চাই বিপুল সংখ্যায় উভচর জাহাজ। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কিছু ট্রলার ব্যবহার করে সেই ঘাটতি পূরণ করা যায় কি না, তা হয়তো এখনই ছকে নিতে চাইছেন ড্রাগনের কমান্ডারেরা।’’

০৯ ২০

চিনের পিএলএ নৌসেনার একটি ভাড়াটে ফৌজ রয়েছে, যার পোশাকি নাম ‘পিপল্‌স আর্মড ফোর্সেস মেরিটাইম মিলিশিয়া’ (পিএএফএমএম)। মূলত, বেসামরিক নাবিক, ট্রলার চালক এবং মৎস্যজীবীদের নিয়ে সংশ্লিষ্ট বাহিনীটি তৈরি করেছে বেজিং। এঁদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে পিএলএ-র নৌ কমান্ডারেরা। ফলে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে আধাসেনার আদলে কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে এই পিএএফএমএমের।

১০ ২০

সামরিক নজরদার সংস্থা সিএসআইএস ফেয়ারব্যাঙ্ক সেন্টার জানিয়েছে, সব মিলিয়ে চিনের মোট তিনটি নৌবাহিনী রয়েছে। একটি হল পিএলএ নেভি। দ্বিতীয়টির নাম চিনা উপকূলরক্ষী বাহিনী বা সিসিজি (চায়না কোস্ট গার্ড)। আর তৃতীয় ফৌজ হিসাবে কাজ করছে ‘পিপল্‌স আর্মড ফোর্সেস মেরিটাইম মিলিশিয়া’ বা পিএএফএমএম। তিনের মধ্যে শেষের বাহিনীটিকে ‘সর্বাধিক বিপজ্জনক’ বলে উল্লেখ করেছেন একাধিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।

১১ ২০

অস্ট্রেলিয়ার অবসরপ্রাপ্ত নৌসেনা অফিসার পার্কার বলেছেন, “পিএএফএমএমের সবচেয়ে সুবিধা হল, এই দলে একগুচ্ছ মৎস্যজীবী এবং ট্রলার চালককে রেখেছে চিন। তাঁদের থেকেই তাইওয়ান প্রণালীর যাবতীয় খুঁটিনাটি হাতে পাচ্ছেন পিএলএ-র নৌকমান্ডারেরা। এক কথায় সামুদ্রিক গুপ্তচরবৃত্তিতে অত্যন্ত দক্ষ এবং সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি বাহিনীকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় দাপিয়ে বেড়ানোর জন্য ছেড়ে রেখেছে বেজিং। সাবেক ফরমোজ়ার পাশাপাশি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাতের ঘুম কাড়তে পারে।’’

১২ ২০

গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) ডিসেম্বরে চিনের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে একটি গোয়েন্দা রিপোর্ট হাতে পায় আমেরিকার যুদ্ধ দফতরের (ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার) সদর কার্যালয় পেন্টাগন। সূত্রের খবর, সেখানে পিএলএ নৌবাহিনীর এই সামুদ্রিক মিলিশিয়া নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মার্কিন গুপ্তচরদের দাবি, বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরি বজায় রেখে বা মাছশিকার ও ট্রলার চালিয়ে জীবন ধারণ করে পিএএফএমএমের হয়ে কাজ করছেন বহু মান্দারিনভাষী যুবক-যুবতী।

১৩ ২০

আমেরিকার গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, তাইওয়ান আক্রমণের সময় ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের রণতরীর পাশাপাশি একগুচ্ছ বেসরকারি জলযান ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে বেজিঙের। সেই কারণে একাধিক মৎস্যজীবী সংগঠন এবং বেসরকারি সংস্থাকে ট্রলারের জন্য মোটা অঙ্কের ভর্তুকি দিচ্ছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। পাশাপাশি, মাছ ধরার নৌকাগুলিকে কিছুটা উভচর যুদ্ধজাহাজের মতো করে গড়ে তুলতে হাত লাগিয়েছেন পিএলএ নৌকমান্ডারদের একাংশ।

১৪ ২০

চিন-তাইওয়ান সংঘাত নিয়ে ২০২১ সালে মার্কিন সরকারকে সতর্ক করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের শীর্ষ সেনা অফিসার অ্যাডমিরাল ফিলিপ ডেভিডসন। ওই বছর আমেরিকার যুদ্ধ দফতরের (ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার) সদর কার্যালয় পেন্টাগনে একটি গোপন রিপোর্ট পাঠান তিনি। সেখানে বলা হয়, আগামী ছ’বছরের মধ্যে সাবেক ফরমোজ়া দ্বীপটি দখল করতে বেজিঙের পিপল্স লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ ঝাঁপিয়ে পড়বে।

১৫ ২০

অ্যাডমিরাল ফিলিপের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিল ওয়াশিংটন। ফলে অচিরেই পেন্টাগনের পদস্থ কর্তাদের কাছে ওই গোপন রিপোর্টটি ‘ডেভিডসন উইন্ডো’ নামে স্বীকৃতি পায়। এর ঠিক দু’বছরের মাথায় চিনের ব্যাপারে ফের মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করেন যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-র (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি) তৎকালীন ডিরেক্টর বিল বার্নস। ২০২৭ সালকে মাথায় রেখে তাইপেতে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি, জানিয়েছেন তিনি।

১৬ ২০

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘ডেভিডসন উইন্ডো’ বা সিআইএ-র রিপোর্ট সত্যি না-ও হতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের অনুমান, চলতি বছরের নভেম্বরের আগে তাইওয়ান আক্রমণের চূড়ান্ত নির্দেশ দেবেন প্রেসিডেন্ট জিনপিং। ঝটিতি অভিযানে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ ফরমোজ়া দ্বীপটিকে কব্জা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এর নেপথ্যে প্রথম কারণ হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

১৭ ২০

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, তাইওয়ান আক্রমণের ক্ষেত্রে চিনের সবচেয়ে বড় বাধা হল আমেরিকা। কারণ, সাবেক ফরমোজ়া দ্বীপ বেজিঙের কব্জায় গেলে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার ‘বেতাজ বাদশা’ হয়ে উঠবে ড্রাগন। ফলে তাইপেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের পক্ষে সেটা খুবই চ্যালেঞ্জের। কারণ, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ভাল রকম জড়িয়ে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অবস্থায় তাঁর পক্ষে দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলা বেশ কঠিন।

১৮ ২০

তবে এগুলির পাল্টা যুক্তিও রয়েছে। গোড়া থেকেই চিনা ‘আগ্রাসনের’ চরম বিরোধিতা করে চলেছে জাপান। গত নভেম্বরে তাইওয়ান ইস্যুতে মুখ খোলেন টোকিয়োর প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘বেজিং ওই দ্বীপরাষ্ট্র দখল করতে গেলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না।’’ ড্রাগনের আগ্রাসন রুখতে এ বছরের জানুয়ারিতে ফিলিপিন্সের সঙ্গে একটি সামরিক সমঝোতায় সই করেছেন তিনি। ম্যানিলায় স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির নাম ‘অ্যাকুইজ়িশন এবং ক্রস-সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট’।

১৯ ২০

চিন-তাইওয়ান সংঘাতে ভারতের স্বার্থও জড়িয়ে আছে। ২০২৪ সালে চেন্নাই-ভ্লাদিভস্তক মেরিটাইম করিডর চালু করে নয়াদিল্লি। এটি রাশিয়ায় পণ্য লেনদেনের বিকল্প পথ হিসাবে কাজ করছে। কিন্তু সাবেক ফরমোজ়া বেজিঙের কব্জায় গেলে ওই রাস্তা বন্ধ করতে পারে ড্রাগন। ফলে সংঘাত পরিস্থিতিতে জাপান, ফিলিপিন্স বা ভিয়েতনামের মতো ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলিকে হাতিয়ার ও গোলা-বারুদ সরবরাহের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ‘ট্রাম্প-কার্ড’ থাকছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের হাতে।

২০ ২০

এ বছর চিন যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। তিনি কুর্সিতে থাকাকালীন তাইওয়ান আক্রমণের দুঃসাহস বেজিং দেখাবে না বলেই মনে করেন ‘পোটাস’ (প্রেসিডেন্ট অফ দ্য ইউনাইটে়ড স্টেটস)। কিন্তু অচিরেই কি তাঁকে মিথ্যা প্রমাণ করবেন জিনপিং? উত্তর দেবে সময়।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও গ্যালারি
Advertisement