এই চর থেকে মাটি ও বালি চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ।
গঙ্গার চর থেকে অবাধে মাটি এবং বালি কাটছে দুষ্কৃতীরা। ট্রলারে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার দিকে। মাঝে মধ্যে হুগলির গুপ্তিপাড়া হয়ে বলাগড়ের দিকে। গুপ্তিপাড়া ও কালনার মধ্যবর্তী জায়গায় তৈরি চর থেকে এ ভাবেই প্রশাসনের নাকের ডগায় মাটি ও বালি চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে।
স্থানীয়েরা জানান, বলাগড় ব্লকে এমন ৯-১০টি চর তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গুপ্তিপাড়া ফেরিঘাটের অদূরে গুপ্তিপাড়া ও কালনার মধ্যবর্তী অংশে গজিয়ে ওঠা চরে গভীর রাত থেকে ২৫-৩০টি ট্রলার আসে। চলে দেদার মাটি ও বালি কাটা। মূলত কালনার পূর্ব সাতগাছিয়ার লোকেরাই এই কাজে জড়িত বলে তাঁদের অভিযোগ।
গুপ্তিপাড়া ২ পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা, বিজেপির কাশীনাথ কোলের অভিযোগ, ‘‘নদীগর্ভে অবৈধ এই কাজের সঙ্গে তৃণমূলের লোকজন জড়িত। প্রশাসনের নজরদারি নেই।’’ কংগ্রেস প্রার্থী অশোক বিশ্বাসের প্রতিক্রিয়া, ‘‘মাটি, বালি, পাথর চুরিই শাসক দলের কাজ। বলাগড়কেই ওরা এক দিন বেচে দেবে! পুলিশ-প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’ তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধারার মন্তব্য, ‘‘বিরোধীদের খেয়েদেয়ে কাজ নেই। শুধু তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলে। এই কাজের সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই জড়িত নয়। প্রশাসন নিশ্চয়ই আইনি পথে ব্যবস্থা নেবে।’’
বলাগড় ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের অধিকারিক কৃষ্ণেন্দু বাগচী জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক আধিকারিকের দাবি, চরটি কালনার মধ্যে পড়ে। গুপ্তিপাড়ার অংশে পুলিশের তরফে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হয়। গত ডিসেম্বর মাসে বালিবোঝাই একটি নৌকো হুগলির অংশে ঢুকতেইসেটি ধরে মামলা করা হয়। ওইপুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘অবৈধ ভাবে কাটা মাটি বা বালি নিয়ে কোনও ট্রলার এ দিকে এলেই ব্যবস্থানেওয়া হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে