—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
একবার প্রতিবেশী যুবকের বাইকে উঠেছিলেন স্ত্রী। সেই থেকে ওই যুবকের উপর রাগ স্বামীর। একদিন যুবককে রাস্তায় একা পেয়ে কাটারি দিয়ে কুপিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার ৮ বছর পর দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রৌঢ়। তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল হুগলির আদালত।
২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি। হুগলির পোলবা থানার কামদেবপুরের বাসিন্দা অরুণ দাস বাইকে চড়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁকে আক্রমণ করেন নিরাপদ দাস নামে এক প্রতিবেশী। মিষ্টির দোকান থেকে সিঙাড়া, রসগোল্লা নিয়ে ফিরছিলেন অরুণ। কাটারির আঘাতে রক্তাক্ত হন তিনি। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
অন্য দিকে, গ্রামবাসীরা আক্রান্তকে উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসা হয়। পরে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হয়। সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন।
তার মধ্যে অরুণের স্ত্রী পোলবা থানায় অভিযোগ করেন। ধৃত নিরাপদ পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তাঁর স্ত্রীকে বাইকে বসিয়ে ঘুরছিলেন অরুণ। সেই রোষে কাটারি দিয়ে কোপ মারেন তিনি। সেই থেকে চুঁচুড়া আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারপ্রক্রিয়া চলছিল। মঙ্গলবার নিরাপদকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক পিযূষকান্তি রায়।
অরুণের পরিবার দোষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চেয়েছিল। তবে বিচারকের রায়ে তাঁরা খুশি বলে জানিয়েছে।