—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
হাওড়া জুড়ে অপরাধীদের খোঁজে পুলিশি তল্লাশির মধ্যেই নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটল। ঘটনাস্থল হাওড়া স্টেশনের কাছে দিঘা বাস স্ট্যান্ডের পাশে পাইকারি আনাজ বাজার। শুক্রবার সকালে ওই বাজারের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয় বছর ৩০-এর এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রবি চৌধুরী ওরফে ভোলা। আদতে কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার বাসিন্দা ওই যুবক থাকতেন হাওড়ার বাকসাড়ায়। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, রবির বিরুদ্ধে চুরি-ছিনতাইয়ের পাশাপাশি মাদক কেনাবেচারও অভিযোগ ছিল। এই ঘটনায় একটি খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন ভোরে ব্যবসায়ীরা ওই বাজারে আনাজপত্র নিয়ে আসার পরে দেখেন, বাজারের ভিতরে মেঝেতে একটি তোশকের উপরে এক যুবকের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ক্ষত। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন হাওড়া সিটি পুলিশের পদস্থ কর্তারা।
উত্তম সাহা নামে ওই বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘‘রাতেআমরা কেউ বাজারে থাকি না। ভোরবেলায় আসি। খুনের ঘটনাটা রাতেই ঘটেছে। রাতে পুরোবাজার দুষ্কৃতীদের দখলে চলেযায়। মাদক সেবন থেকে শুরুকরে দেহ ব্যবসা, সবই চলে।পুলিশকে বার বার জানিয়েওলাভ হয়নি।’’
হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত যুবক নিজেও মাদকাসক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধেও ছিল একাধিক অভিযোগ। আমাদের ধারণা, টাকাপয়সার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়েই এই খুন। অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাকে শীঘ্রই ধরা হবে।’’
এ দিকে, রাজ্য সরকারের নির্দেশের পরে পুলিশের লাগাতার অভিযানে বৃহস্পতিবার রাতে লিলুয়া থেকে ধরা পড়ে দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী। ধৃতদের নাম রঞ্জিত কর্মকার ওরফে লালু এবং রাজবীর সিংহ ওরফে ঘেঁটু। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এরা ভয় দেখিয়ে, মারধর করে জমি দখল করা থেকে বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিন্তু শাসকদলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকার জন্য পুলিশ এত দিন এদের ধরতে সাহস করেনি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে