(বাঁ দিকে) সৌফিক খান। হারুন খান (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানায় প্রোমোটার সৌফিক খানের খুনের তদন্তভার গেল রাজ্য সিআইডি-র হাতে। শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে যায় সিআইডি-র একটি দল। তবে এখনও মূল অভিযুক্ত হারুন খান এবং তাঁর সহযোগী রাফাকাত হোসেন ওরফে রোহিতের খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, খোঁজ চলছে।
শুক্রবার রাতেই কলকাতার বৌবাজার থানা এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েই বুধবার ভোরে পিলখানায় খুন করা হয় প্রোমোটার সৌফিককে। পিলখানাকাণ্ডে এ পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের নাম মহম্মদ বিলাল ওরফে রিঙ্কু, মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্না এবং দিলদার হোসেন। ধৃতেরা আট দিনের পুলিশি হেফাজতে।
তাঁদের জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গোলাবাড়ি থানার পুলিশের একটি দল বৌবাজার থানা এলাকায় যায়। সেখানে আসামি মুন্নার বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দু’টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। মুন্নার বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হত্যাকাণ্ডের পর মূল অভিযুক্ত হারুন এবং রোহিত তাঁর কাছে ওই আগ্নেয়াস্ত্র এবং ম্যাগাজিন লুকিয়ে রাখার কথা বলে পালিয়ে যান।
দুই পলাতকের খোঁজে রয়েছে পুলিশ। শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সিআইডি-র ডিআইজি ইন্দ্র চক্রবর্তী। তিনি এবং অন্যান্য আধিকারিক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করে নিহতের পরিবার এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। খুন হওয়া প্রোমোটারের দাদা জাহির খান বলেন, ‘‘আমরা সিআইডি তদন্ত দাবি করেছিলাম। সেটা হওয়ায় খুশি। আশা করব, দ্রুত অপরাধীরা ধরা পড়বে।’’