মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সিঙ্গুরে না হওয়া কারখানার জমিতে গত ১৮ জানুয়ারি প্রশাসনিক ও জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার আগামী ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গুর ব্লকের বারুইপাড়া-পলতাগড় পঞ্চায়েতের ইন্দ্রখালিতে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে তৃণমূলের হুগলি-শ্রীরামপুর এবং আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার তরফে বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি সভা হল সিঙ্গুরের লোহাপট্টিতে।
হুগলিতে বিধানসভা ১৮টি। সভায় মাইক হাতে চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের ২ লক্ষ লোক করতে হবে। প্রতি বিধানসভা থেকে ১০ হাজার কর্মী-সমর্থক আনতে হবে।’’ মন্ত্রী তথা সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না দাবি করেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসতে পারেন। মিনি ব্রিগেড করতে হবে। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ।’’
তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় হুগলির লোক জমেনি। জেলার বাইরে থেকে লোক আনা হয়েছিল। পোস্টার, ফ্লেক্স লাগানোর জন্য লোক আনতে হয়েছে ঝাড়খণ্ড থেকে।
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, মোদীর সভাস্থল থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের কলকাতামুখী রাস্তার পাশে মুখ্যমন্ত্রীর সভা হবে। দু’টি মঞ্চ হবে। একটি থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং পরিষেবা প্রদান করা হবে। অন্যটি জনসভার মঞ্চ। বৃহস্পতিবার সেখানে প্রশাসনের তরফে বৈঠক করা হয়।
সিঙ্গুরের বিজেপি নেতা সঞ্জয় পান্ডে বলেন, ‘‘আমাদের যা অনুমান ছিল, তার থেকে পাঁচ গুণ লোক প্রধানমন্ত্রীর সভায় এসেছিলেন। আমারা মানুষকে ভয় বা ডিম-ভাতের লোভ দেখিয়ে আনিনি। মোদীজির সভা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আসছেন।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে