দুর্ঘটনায় জখম পুলিশ কর্মীকে ফেলে উধাও আসামি

বিপত্তির উপর বিপত্তি! একে থানার গাড়ি খারাপ। বিকল্প হিসেবে আসামিকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল মোটরবাইকে। মাঝপথে সেই বাইকে ধাক্কা মারল একটি স্কুটি। আর সেই সুযোগে দৌড়ে পালালেন আসামি! পলাতক ওই ব্যক্তিকে ধরতে নাজেহাল হলেন কনস্টেবল থেকে দারোগা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ০১:৪১
Share:

বিপত্তির উপর বিপত্তি!

Advertisement

একে থানার গাড়ি খারাপ। বিকল্প হিসেবে আসামিকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল মোটরবাইকে। মাঝপথে সেই বাইকে ধাক্কা মারল একটি স্কুটি। আর সেই সুযোগে দৌড়ে পালালেন আসামি! পলাতক ওই ব্যক্তিকে ধরতে নাজেহাল হলেন কনস্টেবল থেকে দারোগা। দুপুর থেকে রাত— খুঁজে বেড়ালেও পলাতক ওই ব্যক্তির টিঁকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ। শনিবার দুপুরে চণ্ডীতলার বনমালিপুরের ঘটনা।

পুলিশ সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর আদালতে খোরপোষের মামলা চলছে হুগলির জাঙ্গিপাড়ার জঙ্গলসুফি এলাকার বাসিন্দা কাশেম মল্লিকের বিরুদ্ধে। চার বছর আগের ওই মামলায় কাশেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ওই আদালত। দীর্ঘদিন ধরেই বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তিকে পুলিশ খুঁজছিল। শেষে এ দিন জাঙ্গিপাড়ার পুলিশ তাঁকে ধরে।

Advertisement

নিয়ম অনুযায়ী ধৃতকে শ্রীরামপুর আদালতে তোলার কথা। ওই আদালত থেকে জাঙ্গিপাড়া থানার দূরত্ব প্রায় ৪৪ কিলোমিটার। জেলা পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, থানায় মাত্র দু’টি গাড়ি। একটি টহলে বেরিয়েছিল। অন্যটি বিকল হয়েছিল। এ দিকে, আদালতে পৌঁছতে দেরি হয়ে যাবে। সেই কারণে একটি বাইকে চাপিয়ে এক জন কনস্টেবল এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ার ধৃতকে আদালতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে চণ্ডীতলার বনমালিপুর চৌমাথার কাছে একটি স্কুটির সঙ্গে বাইকটির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। আরোহীরা ছিটকে প়ড়েন। কনস্টেবল জখম হন। তবে মাঝখানে বসে থাকার সুবাদে কাশেমের তেমন কিছুই হয়নি। অভিযোগ, জখম কনস্টেবল যখন মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছেন, সেই সুযোগে পিঠটান দেন কাশেম।

সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি বিভিন্ন থানায় জানিয়ে দেওয়া হয়। হন্যে হয়ে পলাতক ব্যক্তিকে খুঁজতে শুরু করে পুলিশ। জখম কনস্টেবলকে প্রথমে শিয়াখালার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ডানকুনির একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement