ভাঙচুরের অভিযোগ

একশো দিনের কাজের প্রকল্পে বকেয়া প্রাপ্তির দাবিতে স্মারকলিপি দিতে এসে ভাঙচুর চালানো হল ব্লক প্রশাসনিক ভবনে। বুধবার ভগবানপুর-১ ব্লকে এ ঘটনায় নাম জড়িয়েছে শাসক দলের। জখম হন বিডিও, পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনিক কর্মী থেকে ব্লকে আসা সাধারণ মানুষ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০১৬ ০১:৪৮
Share:

একশো দিনের কাজের প্রকল্পে বকেয়া প্রাপ্তির দাবিতে স্মারকলিপি দিতে এসে ভাঙচুর চালানো হল ব্লক প্রশাসনিক ভবনে। বুধবার ভগবানপুর-১ ব্লকে এ ঘটনায় নাম জড়িয়েছে শাসক দলের। জখম হন বিডিও, পুলিশ ও ব্লক প্রশাসনিক কর্মী থেকে ব্লকে আসা সাধারণ মানুষ। জেলাশাসক অন্তরা আচার্য বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া-সহ সরকারি কর্মীদের মারধরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ দায়ের করার জন্য বিডিওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিডিও অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে পারলে অভিযোগ দায়ের করবেন।”

Advertisement

পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল দশটা নাগাদ বিডিও অফিসে আসেন দলের মহম্মদপুর-১ অঞ্চল সভাপতি তথা স্থানীয় প্রধান অপর্ণাদেবীর স্বামী নান্টু প্রধান ও তাঁর ভাই পিন্টু প্রধান। পিন্টুবাবু পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। তাঁদের বাবা চাঁদহরি প্রধান এর আগে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে দু’বার প্রধান ছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ২০১৪-১৫ সালে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে কাজ হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসন শ্রমিকদের পাওনা কয়েক লক্ষ টাকা দিচ্ছে না। এই বিষয়ে স্মারকলিপি দিতে আসেন বিডিওর কাছে। বিডিও পরিতোষ মজুমদার জানান, স্মারকলিপি দিতে এসে আলোচনার সময় উত্তপ্ত বাদানুবাদ হয় ব্লক প্রশাসনের কর্মীদের সঙ্গে। গণ্ডগোলের আশঙ্কায় মোতায়েন ছিল পুলিশবাহিনী। প্রথমে ফিরে গেলেও পরে দুই ভাই ফিরে এসে শ্রমিক ও গ্রামবাসীদের খেপিয়ে তোলেন। শুরু হয় প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর, মারধর, নথি লোপাট করা। দূর থেকে ইট ছুঁড়ে ভাঙা হয় জানালার কাচ। খবর পেয়ে আরও গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে এলে ভেঙে দেওয়া হয় পুলিশের চারটি গাড়ি। ইটের ঘায়ে আহত হন বিডিও। পরে বিশাল বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement