ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে, দাবি জেলা স্বাস্থ্য দফতরের

ডেঙ্গিতে কতজন মারা গিয়েছেন? আক্রান্তদের সংখ্যাই বা ঠিক কত? তা নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি তুলল সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। মঙ্গলবার হুগলি জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ তুলে শ্রীরামপুরের পুরপ্রধানকে একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয় সংগঠনের তরফে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ অগস্ট ২০১৬ ০৩:০৮
Share:

শ্রীরামপুর পুরসভার সামনে বিক্ষোভ ডিওয়াইএফআইয়ের।-নিজস্ব চিত্র।

ডেঙ্গিতে কতজন মারা গিয়েছেন? আক্রান্তদের সংখ্যাই বা ঠিক কত? তা নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি তুলল সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। মঙ্গলবার হুগলি জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ তুলে শ্রীরামপুরের পুরপ্রধানকে একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয় সংগঠনের তরফে।

Advertisement

জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়েই এখন জ্বরের দাপট চলছে। সঙ্গে বাড়তি উদ্বেগ ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই জেলায় মৃত্যুও হয়েছে ডেঙ্গিতে। উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, চুঁচুড়া, চন্দননগর-সহ জেলার গ্রামীণ হাসপাতালেও প্রতিদিন জ্বর নিয়ে মানুষজন ভর্তি হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পরিকাঠামোগত অসুবিধা থাকায় কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। সেই নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রতিদিন ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযোগ হাসপাতালে রক্তের রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। আরামবাগ হাসপাতালে প্যাথোলজি বিভাগে নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মী নেই। তার ফলে রক্তের রিপোর্ট পেতে দেরি হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসা সঠিক সময়ে শুরু করা যাচ্ছে না।

যদিও জেলা প্রশাসনের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার দাবি, চুঁচুড়া, শ্রীরামপুর, উত্তরপাড়া, আরামবাগ-সহ প্রতিটি জায়গায় স্থানীয় পুরসভা, স্বাস্থ্য দফতর যৌথভাবে সাফাই অভিযান চালাচ্ছে। ডেঙ্গির মোকাবিলায় প্রশাসন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। জেলার সিএমওএইচ শুভ্রাংশু চক্রবর্তী বলেন, ‘‘মানুষকে সচেতন করতে শ্রীরামপুর হাসপাতালে স্লাইড শো করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলার হাসপাতালগুলির নিকাশি নালাগুলিতে মশার লার্ভা নির্মূল করতে গাম্বুসিয়া জাতীয় মাছ ছাড়া হচ্ছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement