লোকশিল্পীদের আবেদনপত্র যাচাই হচ্ছে ব্লক অফিসে

লোকশিল্পীর পরিচয়পত্রের আবেদনপত্র যাচাই শুরু হয়েছে আরামবাগ ব্লক অফিসে। ঢাক, ঢোল, খোল নিয়ে এসে বিডিও অফিসে গান গাইছেন শিল্পীরা। গলা পরীক্ষা করে তবেই আবেদনপত্র মঞ্জুর করছেন ব্লক অফিসের কর্তারা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৪১
Share:

বিডিও অফিস চত্বরে লোকশিল্পীরা। নিজস্ব চিত্র।

লোকশিল্পীর পরিচয়পত্রের আবেদনপত্র যাচাই শুরু হয়েছে আরামবাগ ব্লক অফিসে। ঢাক, ঢোল, খোল নিয়ে এসে বিডিও অফিসে গান গাইছেন শিল্পীরা। গলা পরীক্ষা করে তবেই আবেদনপত্র মঞ্জুর করছেন ব্লক অফিসের কর্তারা।

Advertisement

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর ২০১২-২০১৩ সালে লোকশিল্পীদের পরিচয়পত্র দিতে শুরু করে। এ বারও পরিচয়পত্রের জন্য আবেদনপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। জেলা স্তরে সেগুলি খতিয়ে দেখার সময়ে দেখা যায় বেশিরভাগ আবেদনপত্র ক্রুটিপূর্ণ অথবা ভুয়ো। কোনও আবেদনপত্রে বাদ্যযন্ত্রের নাম নেই তো কোনওটিতে গানের ধারার উল্লেখ নেই। আবার কোথাও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নেই। এর পর জেলা প্রশাসন থেকে ভুলে ভরা আবেদনগুলিকে ব্লক এবং পুরসভায় ফেরত পাঠিয়ে পুনরায় যাচাই করতে বলা হয়। আরামবাগ ব্লক অফিসে সপ্তাহে তিন দিন করে এই কাজ চলছে। ব্লক অফিসের এক কর্তা জানান, আবেদনপত্রের তালিকা ধরে পঞ্চায়েতগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁরাই আবেদনকারীদের ব্লক অফিসে আসার কথা বলে দিচ্ছেন। এখনও বেশ কয়েক দিন এই যাচাইয়ের কাজ চলবে।

হুগলি জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক কল্পেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘লোকপ্রসার প্রকল্পের আওতায় আসতে প্রতি দিন প্রচুর আবেদন জমা পড়ছে। কিন্তু আবেদনকারী যে প্রকৃত লোকশিল্পী সে বিষয়ে নিশ্চিত হতেই স্থানীয় প্রশাসনকে সেগুলি যাচাই করতে বলা হয়েছে।’’ এই প্রকল্পে লোকশিল্পীদের পরিচয়পত্র ছাড়াও লোকশিল্পীরা ভাতা এবং সরকারি অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ পান। ১৮ থেকে ৬০ বছরের পর্যন্ত শিল্পীদের প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে শিল্পীদের মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা পাওয়ার কথা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement