—প্রতীকী চিত্র।
তরুণের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল কিশোরী। সেই রাগে ১৫ বছরের ওই নাবালিকাকে অপহরণ করে আটকে রেখে যৌন হেনস্থা, মারধরের অভিযোগ উঠল সেই তরুণের বিরুদ্ধে। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে মধ্য কলকাতার একটি থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ সমীর (১৯)। সে বিহারের বৈশালীর বাসিন্দা। বুধবার ধৃতকে কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ পকসো আদালতে তোলা হলে বিচারক পাপিয়া দাস ১০ মার্চ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন মামলার সরকারি আইনজীবী সৈকত পাণ্ডে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, সমীরের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সোমবার সন্ধ্যায় চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ থেকে কিশোরীটিকে খুনের হুমকি দিয়ে অপহরণ করে সমীর। এর পরে মেয়েটিকে বারুইপুরের একটি জায়গায় আটকে রেখে যৌন হেনস্থা করে। কিশোরীকে চড়-ঘুষিও মারা হয়। সোমবার গভীর রাতে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ে একটি মেট্রো স্টেশনের কাছে কিশোরীকে নামিয়ে দেয় সমীর।
নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ পেয়ে সমীরকে বারুইপুর থেকে ধরে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পকসো আইন ছাড়াও ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ দিন সমীরকে কলকাতা নগর দায়রা আদালতের বিশেষ পকসো আদালতে তোলা হয়। বিচার ভবনের মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু বলেন, ‘‘নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দির আর্জি জানানো হয়েছিল। আদালত তা মঞ্জুর করেছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে