বাস্কুল সেতু। খিদিরপুর। ফাইল চিত্র।
দীর্ঘ ছ’দশকের পুরনো বাস্কুল সেতুর খোলনলচে বদল করে তার সংস্কার করতে চলেছেন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১৬৪০ টন ওজনের ওই সেতুর দু’দিকের দু’টি অংশ উপরে উঠে গেলে কলকাতা বন্দরের খিদিরপুরে ১ এবং ২ নম্বর ডকে জাহাজ ঢুকতে পারে। সেতু বন্ধ থাকলে ওই পথ গার্ডেনরিচ এবং মেটিয়াবুরুজের মধ্যে যোগাযোগের রাস্তা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ১৯৬৬ সালে অস্ট্রিয়ার ওয়াগনার-বিরো ব্রিজ সিস্টেম নামে একটি সংস্থা এই সেতুটি তৈরি করে। পুরনো সেই সেতু সংস্কারের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৭.৫৪ কোটি টাকা। যার মধ্যে কেন্দ্রের জাহাজ এবং জলপথ পরিবহণ মন্ত্রক সাগরমালা প্রকল্পের আওতায় ওই কাজের জন্য দেবে ৪০ কোটি টাকা।
ওই কাজের জন্য রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মাধ্যমে মুম্বইয়ের একটি সংস্থা ওই কাজের বরাত পেয়েছে। সেতু
মেরামতির অঙ্গ হিসাবে সেতুর পাটাতন, বৈদ্যুতিন বিভিন্ন ব্যবস্থা, হাইড্রলিক গিয়ার, র্যাক এবং পিনিয়ন বদল করা হবে। এ নিয়ে কলকাতা তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরের চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমন বলেন, ‘‘বন্দরের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাস্কুল সেতু। এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধির উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।’’
ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ছাড়াও বন্দরের কার্যকারিতা বাড়াতে ওই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আগামী বছরের
মধ্যে সেতুর মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ করা হবে।
এর আগে ২০১৭ সালের অগস্টে জাহাজ চলাচলের সময়ে আচমকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সেতুটি। বন্দরের পক্ষ থেকে প্রায় ২৫ কোটি টাকা খরচ করে সে সময়ে সেতুটি মেরামত করা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ন’বছর পরে এ বার ওই সেতুর খোলনলচে বদলের পালা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে