—প্রতীকী চিত্র।
বড়দিনের সন্ধ্যার থেকে প্রাক্-নববর্ষ সন্ধ্যায় পারদ পতন কিঞ্চিৎ বেশি হলেও মেট্রোর ভিড়ে তার প্রভাব পড়ল না। বরং, বুধবার মেট্রোয় যাত্রীদের ভিড় বড়দিনের সন্ধ্যার তুলনায় বেশ খানিক কমেছে। প্রাক্-নববর্ষ সন্ধ্যায় ভিড়ের আশঙ্কায় পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, এসপ্লানেড, রবীন্দ্র সদন এবং দমদম স্টেশনে মেট্রোর তরফে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু ভিড় লাগামছাড়া হয়নি।
পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের বাইরে ভিড় আটকে রাখতে প্রচুর সংখ্যক রক্ষী মোতায়েন করা ছাড়াও মোটা দড়ি এনে রাখা হলেও ভিড়ের ‘যুদ্ধ’ মোকাবিলায় সে সবের প্রয়োজন পড়েনি। সপ্তাহের মাঝামাঝি পুরোদস্তুর কাজের দিনে অফিস সামলে এক দিকে ময়দান,পার্ক স্ট্রিট, চাঁদনি চকের মতো স্টেশন দিয়ে কিছু যাত্রী যখন বাড়িমুখী, তখন নবীন প্রজন্ম ভিড় জমিয়েছে পার্ক স্ট্রিট এবং ময়দানের রাস্তায়।
মধ্যরাতে বর্ষবরণের উৎসবে শামিল হওয়া যাত্রীদের কথা ভেবে এ দিন আপ এবং ডাউন মেট্রো লাইনে রাত ৯টা ৪০ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে চার জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হয়। রাতের দিকে মেট্রোয় ভিড় কিছুটা বাড়লেও বড়দিনের সন্ধ্যার ভিড়কে কোনও ভাবেই পিছনে ফেলার মতো জনজোয়ার এ দিন দেখা যায়নি।
মেট্রোর আধিকারিক এবং যাত্রীদের একাংশের মতে, ঠান্ডার কামড় এ বার অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটা বেশি হওয়ায় রাত বাড়তেই মেট্রোয় ভিড় কমেছে। পাশাপাশি, পার্ক স্ট্রিটের তুলনায় শহরের নতুন গন্তব্যে যাওয়ার আগ্রহ বেড়েছে একাংশের। সেই সঙ্গে পূর্ব-পশ্চিম মেট্রো হওয়ার ফলে উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোয় যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমেছে। হাওড়া, শিয়ালদহ, সল্টলেকগামী বিভিন্ন মেট্রোয় এ দিন সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতোই ভিড় চোখে পড়েছে।
পার্ক স্ট্রিটে মেট্রোয় চেপে বর্ষবরণের সন্ধ্যায় যোগ দিতে আসা সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পার্ক স্ট্রিটে আসার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় স্বাচ্ছন্দ্য বেড়েছে। কিন্তু বিনোদনের জন্য শহরে নতুন জায়গা তৈরি হয়েছে। এখানে বেশি সময় থাকব না। মধ্য কলকাতার একটি ক্লাবের অনুষ্ঠানে যাব।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে