Howrah Division

লোকালের ‘দেরি’ রোগ সারাতে তৎপর হাওড়া ডিভিশন

একাধিক রুটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর পাশাপাশি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের নিত্য নতুন পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে জাঁকজমকের ফাঁকে শহরতলির লোকাল ট্রেনই অবহেলিত হতে বসেছিল হাওড়া ডিভিশনে। সকাল এবং সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে লোকাল ট্রেন সময়ে না চলা নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভের অন্ত ছিল না।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৮
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

দৈনিক প্রায় সাড়ে আট লক্ষ যাত্রীর কথা মাথায় রেখে এ বার ‘দেরি’ রোগে ভোগা লোকাল ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা ফেরাতে তৎপর হয়েছেন হাওড়া ডিভিশনের কর্তারা।

একাধিক রুটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানোর পাশাপাশি যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের নিত্য নতুন পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে জাঁকজমকের ফাঁকে শহরতলির লোকাল ট্রেনই অবহেলিত হতে বসেছিল হাওড়া ডিভিশনে। সকাল এবং সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে লোকাল ট্রেন সময়ে না চলা নিয়ে যাত্রীদের ক্ষোভের অন্ত ছিল না।

গত তিন মাসে নাগাড়ে চেষ্টা চালিয়ে সম্প্রতি অফিসের ব্যস্ত সময়ে শহরতলির লোকাল ট্রেনের ৯০ শতাংশের বেশি সময়ানুবর্তিতা অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন হাওড়ার ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার বিশাল কপূর। আগামী তিন মাসে ওই সময়ানুবর্তিতা আরও উন্নত করতে তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাওড়ার সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনাল ম্যানেজার ভাবনা জৈন।সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ছাড়তে গিয়ে হাওড়া থেকে কর্ড এবং মেন শাখা মিলে গোটা তিনেক লোকাল ট্রেন দেরিতে চলছিল। সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটের হাওড়া-কাটোয়া লোকাল, সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটের ব্যান্ডেল লোকাল, রাত ৮টা ২০ মিনিটের মেন লাইনের বর্ধমান লোকালের মতো একাধিক ট্রেনের দেরিতে ছাড়া অথবা দেরিতে ঢোকা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন যাত্রীরা।

যে সব ট্রেন দেরিতে চলছে, তারা পথে কোথায় এবং কেমন সময় নিচ্ছে, কোথায় তাদের থামিয়ে রাখা হচ্ছে, তা খুঁটিয়ে দেখে ওই সব ট্রেনের চলাচল উন্নত করতে তৎপর হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। হাওড়া ঢোকার আগে বালি এবং বেলুড় থেকে ওই সব ট্রেনের চলাফেরা নজরদারিতে এনে অসুখ সারাতে ট্রেন কন্ট্রোলারদের তৎপর হতে বলা হয়েছিল।

পাশাপাশি, প্ল্যাটফর্মে ঢোকার আগে একাধিক লাইন বদল করতে গিয়ে বিলম্ব হচ্ছে কিনা, তা-ও মাথায় রাখা হচ্ছে। যে কোনও ট্রেন প্ল্যাটফর্মে যাতে কোনও অবস্থাতেই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি ক্ষণ দাঁড়িয়ে না থাকে, সে দিকেও নজর দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ছাড়তে দেরি করলেই সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে যাচ্ছে। নতুন একাধিক টোটকায় ফল মিলছে হাতেনাতে।

একাধিক প্ল্যাটফর্ম এবং ইয়ার্ড সংস্কার করে ট্রেন চলাচলের সমস্যা পুরো মেটাতে চান কর্তৃপক্ষ। লেভেল ক্রসিংয়ে সময় যাতে নষ্ট না হয়, সেই তৎপরতা বেড়েছে। কর্তাদের আশা, আগামী তিন মাসে দুর্নাম ঘোচাতে সমর্থ হবেন তাঁরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন