Tangra Triple Murder Case

স্ত্রী, মেয়ে ও বৌদিকে খুন! দে বাড়ির ছোট ছেলে ট্যাংরাকাণ্ডে গ্রেফতার, সোমেই ছাড়া পান হাসপাতাল থেকে

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি গাড়ি দুর্ঘটনার খবর দিতে কলকাতার ট্যাংরার অতূল শূর রোডে একটি বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু বাড়িতে পাওয়া যায় তিনটি দেহ। তাঁদের মধ্যে দু’জন মহিলা এবং এক জন কিশোরী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৫ ২২:২৪
Share:

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে প্রসূন দে (মুখে মাস্ক)। —ফাইল চিত্র।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন সোমবারই। তার পরেই ট্যাংরায় তিনটি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হলেন প্রসূন দে। অভিযুক্ত নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন, স্ত্রী, মেয়ে এবং বৌদিকে খুনের কথা।

Advertisement

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি গাড়ি দুর্ঘটনার খবর দিতে কলকাতার ট্যাংরার অতূল শূর রোডে একটি বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু বাড়িতে পাওয়া যায় তিনটি দেহ। তাঁদের মধ্যে দু’জন মহিলা এবং এক জন কিশোরী। মৃতদের নাম সুদেষ্ণা দে, রোমি দে এবং প্রিয়ম্বদা দে। পরে জানা যায়, রোমির স্বামী বৌদি সুদেষ্ণা, স্ত্রী রোমি এবং মেয়ে প্রিয়ম্বদাকে খুন করেছেন। গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবারই ছাড়া পান ট্যাংরার ‘দে পরিবারের’ ছোট ছেলে। এখনও ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁর দাদা প্রণয় দে এবং ভাইপো প্রতীপ।

ট্যাংরার ঘটনায় আগেই খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রসূনের শ্বশুর। তাতে গ্রেফতার হলেন জামাতা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৪৩ বছরের প্রসূন তাঁর বয়ানে দাবি করেছিলেন, দে পরিবারের দুই বধূ সুদেষ্ণা দে এবং রোমির হাত কেটেছিলেন তিনিই। সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে তাঁকে ট্যাংরা থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দে পরিবারের সকলে প্রথমে ঘুমের ওষুধ মেশানো পায়েস খেয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছে, তাতেই মৃত্যু হয়েছিল কিশোরী প্রিয়ম্বদার। পরে রোমি এবং সুদেষ্ণার হাতের শিরা ও গলা কাটা হয়েছিল। কার পরিকল্পনায় এ সব করা হয়েছিল, তা-ও দুই ভাইকে জেরা করে পুলিশ জানতে চায় বলে খবর।

যে দিন বাড়ির তিন সদস্যের মৃত্যু হয়, সেই সময় দুই ভাই, প্রণয়, প্রসূন কে কোথায় ছিলেন, কী করছিলেন, সে সব তথ্যের খোঁজে পুলিশ। হাসপাতালেই প্রসূন, প্রণয়, প্রতীপের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল। তাতে খুনের কথা স্বীকার করে নেন প্রসূন। এ বার তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইবেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement