—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভারী বৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন এবং সংলগ্ন ইয়ার্ড জলমগ্ন হওয়ার ঘটনায় প্রায়ই ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই সমস্যা এড়াতে এ বার বর্ষার আগে পূর্ব রেলের হাওড়া এবং শিয়ালদহ ডিভিশন সব রকম প্রস্তুতি নিয়েছে। হাওড়ার ক্ষেত্রে রেললাইন এবং রেলের আবাসিক কলোনি সংলগ্ন বিভিন্ন নিকাশি নালা পরিষ্কারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে বৃষ্টির জল জমে কোথাও রেললাইন অথবা ইয়ার্ড প্লাবিত না হয়।
রেললাইন ঘেঁষে ১০৬ কিলোমিটারের বেশি নর্দমার পলি পরিষ্কার হয়েছে। রেলের আবাসিক কলোনি এলাকায় প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ নর্দমা পরিষ্কার হয়েছে বলেও রেলের দাবি। হাওড়া শহরে জল জমা ঠেকাতে রানি ঝিল এবং অন্যান্য নিকাশি নালা যাতে প্লাবিত না হয়, তার জন্য প্রশাসন পদক্ষেপ করছে বলে সূত্রের খবর।
হাওড়া ডিভিশনের বিভিন্ন স্টেশন এবং রেলপথ মিলে ৪৭টি জায়গায় সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই বৃষ্টির সময়ে জলস্তর বৃদ্ধির দিকে নজর রাখতে রেলের টহলদারি চালু হয়েছে। কিছু সাবওয়েতে রেলের তরফে কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। তাঁদের কাছে জিপিএস নির্ভর যন্ত্র থাকছে। নির্মীয়মাণ দু’টি সেতুতেও কর্মী-নির্ভর নজরদারি থাকছে। ওভারহেড তারের ক্ষতি এড়াতে হাওড়া এবং দু’টি ডিভিশন মিলে প্রায় ১০ হাজার গাছের ডাল ছাঁটা হয়েছে।
শিয়ালদহ ডিভিশনে নিকাশি নালা সাফ করা ছাড়াও বর্ষার জমা জল সরাতে আগেই পাম্প বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আচমকা ধস ঠেকাতে বোল্ডার মজুত করা হয়েছে এবং ওভারহেড কেব্ল মেরামতিতে বিশেষ দলের প্রস্তুতি থাকছে। ট্রেন চলাচলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি বলেন, ‘‘নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা এবং যাত্রীদের সুরক্ষা বজায়ে রেল সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে