বইমেলায় উপচে পড়া ভিড়। —ফাইল চিত্র।
ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর পরিষেবা পুরো পথে শুরু হওয়ায় হাওড়া থেকে সল্টলেক যাতায়াতে সুবিধা হয়েছে। তার ফলেই আসন্ন ৪৯তম কলকাতা বইমেলায়বইপ্রেমীদের ভিড় বাড়বে বলে আশা করছেন মেলা কর্তৃপক্ষ। সেই ভিড় সুষ্ঠু ভাবে সামাল দেওয়া নিয়ে মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানালেন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। ২২জানুয়ারি বইমেলার উদ্বোধনের আগে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এ দিন সকালে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুকেশ-সহ শীর্ষ কর্তারাযান মেলার মাঠে। সেখানে বইমেলা কর্তৃপক্ষ, বিধাননগর পুরসভা, কেএমডিএ, মেট্রো, পরিবহণ,দমকল-সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরের প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন।
প্রস্তুতি পরিদর্শনের পাশাপাশি তাঁরা একটি বৈঠকও করেন। সেখানে হাজির ছিলেন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডেরসভাপতি সুধাংশুশেখর দে, সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্য সদস্যেরা। পরে পুলিশ কমিশনার জানান, মেলায় পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বেশি ভিড়ের বিষয়টি মাথায় রেখে সিসি ক্যামেরার নজরদারিবৃদ্ধি, পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা এবং পুলিশ মোতায়েন করার পরিকল্পনা চলছে বলে জানানো হয়েছে।
বইমেলা কর্তৃপক্ষ সূত্রের খবর, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর আবেদন করা হয়েছে, যাতে বইপ্রেমীদের যাতায়াতে কোনও সমস্যা না হয়।জানা গিয়েছে, অনলাইনে মেট্রোর টিকিট কাটার বিশেষ কাউন্টার থাকবে মেলায়। পরিবহণ দফতরের তরফেও অন্য বছরের মতোই অতিরিক্ত বাস পরিষেবা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। বইমেলার ১ নম্বর গেটের কাছে থাকবে অ্যাপ-ক্যাব বুকিংয়ের স্টল।
পাশাপাশি, অগ্নি-সুরক্ষার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ কমিশনার জানান, বইমেলায় দমকলের ইঞ্জিনেরপাশাপাশি স্টলগুলিতে অগ্নি-নির্বাপণ যন্ত্র থাকবে। স্টলের কর্মীদের তা ব্যবহারের প্রশিক্ষণদেওয়ার হবে।
এ বার মেলায় স্টলের সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানিয়েছে গিল্ড। গত বছর সাড়ে নশোর বেশি স্টল ছিল। এ বার সেই সংখ্যা এক হাজার ছাড়াবে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে