Arrest in Golpark Case

গোলপার্কের গন্ডগোলে গ্রেফতার আরও দুই! ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯, দুই গোষ্ঠীর ‘মাথা’রা অধরাই, পাকড়াও শাগরেদরা

গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক হচ্ছিল। ওই সময়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৩
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

গোলপার্কে গন্ডগোলের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই নিয়ে রবিবারের তাণ্ডব, বোমাবাজি এবং গুলি চলার ঘটনায় মোট ১৯ জনকে পাকড়াও করা হল। তবে যে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল, সেই দুই গোষ্ঠীর ‘মাথা’রা কেউই ধরা পড়েননি।

Advertisement

রবিবার রাতের গোলমালের পর থেকে অভিযুক্তদের খোঁজে ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অভিযানের সময়ে আরও দু’জনকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের নাম রাকেশ বণিক এবং রাজীব দাস ওরফে সোনু। উভয়েই রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পঞ্চাননতলা রোডের বাসিন্দা। রবিবারের তাণ্ডবের ঘটনার পর সেই রাত থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় ১০ জনকে।

পরে সোমবার রাতের অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরও চার জনকে। মঙ্গলবারও বিকেল পর্যন্ত পুলিশি অভিযানে তিন জন ধরা পড়েন। রাতে গ্রেফতার করা হয় আরও দুই অভিযুক্তকে। গোলপার্কে ওই গোলমালের তিন দিন অতিক্রান্ত। গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক হচ্ছিল। ওই সময়েই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর দলবল এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী বাপি হালদারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল। গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে সোনা পাপ্পুর দলবলের নাম। সোনা পাপ্পুর দলবলই এলাকায় এসে গন্ডগোল পাকাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। যদিও মঙ্গলবার সোনা পাপ্পু ফেসবুক লাইভ করে দাবি করেন, ঘটনার দিন তিনি নিজের বাড়িতেই ছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement