গত মার্চে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে লিফ্ট বিপর্যয়ে মৃত্যু হয়েছিল নাগেরবাজারের বাসিন্দা, ৪১ বছরের অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই ঘটনায় সোমবার শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দিল লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। ঘটনার ৭৪ দিনের মাথায় এই চার্জশিট জমা পড়ল।
১৯ মার্চ রাতে অরূপের তিন বছরের ছেলে আরুষের ডান হাত ভেঙে গিয়েছিল। সেই রাতেই আর জি করে ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে লিফ্টে থেঁতলে মৃত্যু হয় অরূপের। টালা থানার এই মামলার তদন্তভার নেয় হোমিসাইড শাখা। তদন্তে নেমে তিন লিফ্টকর্মী, মিলনকুমার দাস, বিশ্বনাথ দাস, মানসকুমার গুহ এবং দুই নিরাপত্তারক্ষী, আশরাফুল রহমান ও শুভদীপ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রায় ২০০ পাতার চার্জশিটে তিন লিফ্টকর্মী এবং দুই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলার ধারা দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় আশরাফুল এবং শুভদীপ জামিনে রয়েছেন। জেল হেফাজতে রয়েছেন মিলন, বিশ্বনাথ এবং মানস। এ দিন শুনানিতে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে তাঁদের ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে শিয়ালদহের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুলতান মামুদের এজলাসে হাজির করা হয়। তিন লিফ্টকর্মীর আইনজীবীরা মক্কেলদের জামিনের আর্জি জানান। আর্জি খারিজ করে বিচারক তাঁদের ফের জেল হেফাজতে পাঠান। পরবর্তী শুনানি, ১৫ জুন তিন লিফ্টকর্মীকে সশরীরে হাজির হতে হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে