— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার দৌড়ে ক্রমশই এগিয়ে আসছেন ছাত্রীরা। চলতি বছরের জেইই অ্যাডভান্সড-এ পাশ করেছেন ১০ হাজার ১০৭ জন ছাত্রী। বিগত পাঁচ বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাশের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪.৯ শতাংশ। ২০২১-এ যা ছিল ১৯.৯ শতাংশ। ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার অধীনে স্নাতকে ভর্তির যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষায় এই প্রথম ছাত্রীরা এত এগিয়ে এসেছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে মহিলাদের উপস্থিতি অনেক কম বলেই চর্চা হয়ে চলেছে সারা বিশ্বে। আর এই ক্ষেত্রেই এ দেশের মেয়েরা যে এগিয়ে যাচ্ছেন, তার প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে জেইই অ্যাডভান্সড-এর ফলাফলে।
ছাত্রীদের অগ্রগতি সম্পর্কে আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক শলভ জানিয়েছেন, আইআইটি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য ছাত্রীরা ধীরে ধীরে নিজেদের যোগ্য করে তুলছেন। এতে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় তাঁরা আরও বেশি করে সুযোগ পাবেন। উল্লেখ্য, ওই অধ্যাপক জেইই অ্যাডভান্সড ২০১৮-র অর্গনাইজ়িং চেয়ারম্যান ছিলেন।
২০২৬-এর পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৪০ হাজার ৫৬২ জন ছাত্রী। নাম নথিভুক্তিকরণ করেছিলেন ৪৩ হাজার ১১২ জন। তাঁদের মধ্যে যাঁরা উত্তীর্ণ হলেন, তাঁরা কমন র্যাঙ্ক লিস্ট-এও জায়গা করে নিয়েছেন। তবে, এদের মধ্যে সকলেই যে আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন, তা কিন্তু নয়।
এ ক্ষেত্রে ছাত্রীদের এই ক্ষেত্রে আরও আগ্রহী হয়ে ওঠার নেপথ্যে বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্যকে অনুঘটক হিসাবে চিহ্নিত করেছেন আইআইটি বোম্বের অধ্যাপক দীপঙ্কর চৌধুরী। তাঁর কথায়, “কৃত্রিম ডেটা সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট-এর মতো বিষয়ের সংযোজন হওয়ায় ছাত্রীরা নিজেদের পছন্দের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।”
দেশের ২৩টি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজারের মতো আসন জেইই অ্যাডভান্সড উত্তীর্ণদের জন্য বরাদ্দ থাকে। সে ক্ষেত্রে তাঁরা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি) কিংবা ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি-র (আইআইআইটি) মতো প্রতিষ্ঠানেও ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্নাতকে ভর্তি হতে পারবেন।