দমদমে শুরু হয়েছে রাস্তা মেরামতের কাজ। — নিজস্ব চিত্র।
পুজো পেরিয়ে শীতও শেষ হতে চলেছে। কিন্তু বেহাল রাস্তার হাল ফেরেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বড় রাস্তার তুলনায় ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার আরও দুর্বিষহ অবস্থা। অবশেষে সেই সব রাস্তা সারাতে চলেছে প্রশাসন। কিছু রাস্তায় কাজ শুরু হয়েছে। বাকি রাস্তারও দ্রুত মেরামত হবে বলে জানানো হয়েছে।
এমন ছবি দমদম পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডের। পুরসভার দাবি, পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় বেহাল রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তার ধারের নর্দমাগুলিরও সংস্কার শুরু হবে। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে দমদম পুরসভার অধীন পি কে গুহ রোডের কাজ শুরু করেছে পূর্ত দফতর। পাশাপাশি, পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় ইটলগাছা রাস্তার কাজও শুরু হচ্ছে। নির্মল সেনগুপ্ত সরণি, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির— দুর্গানগর, নলতা-সহ ১ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক রাস্তা ও নর্দমার কাজও করা হবে।
বিরোধীদের দাবি, বছরভর ঘুমিয়ে থেকে নির্বাচনের আগে ঘুম ভেঙেছে। আবার বর্ষা শুরু হলেই রাস্তার দশা আগের মতোই হবে। যদিও পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, এ বারের মেরামতি তাপ্পি মারা নয়, বরং রাস্তার মান উন্নত করা হবে। সেই কারণে নর্দমার কাজও হচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, রাস্তা ভেঙেচুরে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। রাতে সমস্যা আরও বাড়ে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা মেরামতের পরে ফের খোঁড়াখুঁড়ি, বৃষ্টি, শেষে আবার মেরামতি। একই ছবি বার বার দেখা যায়। তাতে প্রশাসনের খরচ বাড়ে, মানুষেরও দুর্ভোগ কমে না। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করুক পুরসভা। অভিযোগের বিষয়গুলি মেনে নিয়ে দমদম পুরসভার উপ পুরপ্রধান বরুণ নট্ট জানান, জল জমে বৃষ্টির মরসুমে রাস্তার অবস্থা সঙ্গীন হয়। তাপ্পি দেওয়া হলেও কাজ হয় না। তাই স্থায়ী মেরামতির কাজে হাত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জল জমার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে নিকাশিনালার সংস্কারও হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে