Illegal Encroachment

লাইনের ধারে অবৈধ দখলদারি সমস্যা বাড়াচ্ছে চক্ররেলের

দীর্ঘদিন ধরে চক্ররেলের লাইন ঘেঁষে বেআইনি দখলদারি এবং বসতি গড়ে ওঠায় পরিষেবা ব্যাহত হওয়া ছাড়াও একাধিক অন্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

ফিরোজ ইসলাম 

শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৭:৫৯
Share:

চক্ররেলের লাইনের পাশে এ ভাবেই গড়ে উঠেছে বসতি। বি বা দী বাগ এলাকায়। —নিজস্ব চিত্র।

প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চক্ররেলের পথ কলকাতার সঙ্গে শহরতলির যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি, উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন অংশের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এই রেলের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চক্ররেলের লাইন ঘেঁষে বেআইনি দখলদারি এবং বসতি গড়ে ওঠায় পরিষেবা ব্যাহত হওয়া ছাড়াও একাধিক অন্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মাসখানেক আগে প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতা স্টেশন, বি বা দী বাগ এবং বাগবাজার এলাকায় চক্ররেলের লাইন প্লাবিত হয়। অভিযোগ, সংলগ্ন এলাকার নিকাশির সমস্যার কারণেই কলকাতা স্টেশন এবং বাগবাজারের কাছে ওই রেলের লাইন প্রায় দেড় ফুট জলের নীচে চলে যায়।

নিকাশির এই সমস্যা ছাড়াও বালিগঞ্জ, ঢাকুরিয়া, টালিগঞ্জ, নিউ আলিপুর, বি বা দী বাগ লাগোয়া একাধিক জায়গায় বেআইনি দখলদারি রেললাইনের কয়েক ফুটের মধ্যে উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ রেললাইনকে জামাকাপড় শুকোনোর জায়গা হিসাবে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়াও নিকাশির জল, আবর্জনা, প্লাস্টিক ইত্যাদি জমা হয়ে রেললাইন এবং সিগন্যালিং ব্যবস্থার বিভিন্ন যন্ত্রপাতির প্রভূত ক্ষতি করছে। বর্ষায় নজরদারির কাজ চালাতে গিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষকে।

রেলের দাবি, এই সব সমস্যা সমাধানে তাদের তরফে নিয়মিত প্রচার করা ছাড়াও মাঝেমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কায় সব ক্ষেত্রে দখলদারদের সরানো সম্ভব হয় না। আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, সব চেয়ে খারাপ অবস্থা ঢাকুরিয়া, টালিগঞ্জ এবং নিউ আলিপুর এলাকায়। যাত্রী-পরিষেবা ব্যাহত হওয়া ছাড়াও দখলদারির কারণে ওই সব এলাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। দখলদার সরাতে রেলের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় রেখে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে শিয়ালদহ ডিভিশন সূত্রের খবর।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন